করোনা-আতঙ্কের জেরে বাজারে রোজই বাড়ছে মাস্কের চাহিদা।
করোনা-আতঙ্কের জেরে বাজারে রোজই বাড়ছে মাস্কের চাহিদা।

Covid-19 precautions: মাস্ক পরলেই কি সংক্রমণ এড়ানো যায়?

Covid-19 সংক্রমণ রুখতে বিশ্বব্যাপী মাস্ক ব্যবহারের হার লাফিয়ে বাড়ছে প্রতিদিন। কিন্তু মাস্ক ব্যবহার করে কি এই ভয়াবহ ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়? কী ধরনের মাস্ক এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত? এমনই নানান প্রশ্নে জেরবার পৃথিবী।ইতিমধ্যেই মাস্কের দাম নিয়ন্ত্রণ করার কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে বাজারে নানান ধরনের মাস্ক হু হুল করে বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন। কিন্তু মাস্কের সাহায্যে Covid-19 প্রতিহত করা আদৌ সম্ভব কি না, তাই নিয়ে প্রচলিত রয়েছে নানান বিতর্ক ও মতান্তর। দেখে নেওয়া যাক এই সংক্রান্ত জরুরি কিছু তথ্য, যা যুক্তিনির্ভর।

1

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দৈনন্দিন জীবনে মাস্ক ব্যবহার করে জীবাণু সংক্রমণ এড়ানো বেশ কঠিন। তাঁদের মতে, মুখের ছিদ্র আটকাতে বাজারে যুতসই মাস্ক পাওয়া কঠিন। বেশিরভাগ মাস্কই নাক ও মুখগহ্বর পুরোপুরি ঢাকতে পারে না।

2

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দৈনন্দিন জীবনে মাস্ক ব্যবহার করে জীবাণু সংক্রমণ এড়ানো বেশ কঠিন। তাঁদের মতে, মুখের ছিদ্র আটকাতে বাজারে যুতসই মাস্ক পাওয়া কঠিন। বেশিরভাগ মাস্কই নাক ও মুখগহ্বর পুরোপুরি ঢাকতে পারে না।

3

চিকিৎসকদের মতে, হাঁচি, কাশি অথবা কথা বলতে গিয়ে সংক্রামিত ব্যক্তির শরীর থেকে বের হওয়া জীবাণু বাতাসে ভেসে এলে মাস্ক তা রোধ করে। এই তালিকায় রয়েছে যে কোনও ধরনের ফ্লু, হুপিং কাশি এবং কয়েক ধরনের ম্যানেঞ্জাইটিসের জীবাণু। এ ক্ষেত্রে যিনি জীবাণু বহনকারী এবং যাঁরা তাঁর সামনে রয়েছেন, সবারই মাস্ক পরা আবশ্যক।

4

চিকিৎসকদের মতে, Covid-19 আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা থাকলে N95 রেস্পিরেটর মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি। এই ধরনের মাস্কে বিশেষ এয়ার ফিল্টার থাকে, যা বাতাসে ভেসে বেড়ানো অতিক্ষুদ্র জীবাণু রুখতে সক্ষম। গোলাকৃতি এই মাস্ক মুখে ঠিকঠাক ফিট করেল বলেও জানা গিয়েছে।

5

করোনাভাইরাস সংক্রমণের সমস্ত তথ্য এখনও বিজ্ঞানীদের হাতে এসে পৌঁছয়নি বলে এই বিষয়ে এখনও বেশ অনিশ্চয়তা রয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, মাস্কের উপরে বেশি ভরসা না রেখে নিয়মিত সাবান-জলে হাত ধোওয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার করে হাত পরিষ্কার রাখা, না ধোওয়া হাতে চোখ-মুখ-নাক স্পর্শ না করা বেশি জরুরি।

6

একই সঙ্গে, ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সান্নিধ্য এড়িয়ে চলা, সম্ভব হলে বাড়ির ভিতরে থাকা এবং সংক্রমণের কোনও আভাস পেলেই হাসপাতালে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়া যেমন অর্থহীন, তেমনই অতিরিক্ত উদাসীনতাও বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বন্ধ করুন