যামিনী রায়ের সৃষ্টি (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
যামিনী রায়ের সৃষ্টি (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

Covid-19 Updates: নন্দলাল বসু-যামিনী রায়দের সৃষ্টি বিক্রি করে করোনা তহবিলে এক কোটি অনুদান

বিক্রির জন্য ১১ দিন রাখা হয়েছিল। দু'দিনের মধ্যে সবকটি শিল্পকাজ বিক্রি হয়ে গিয়েছে।

নন্দলাল বসু, মকবুল ফিদা হুসেন থেকে শুরু করে যামিনী রায়, কৃষ্ণা রেড্ডি – তালিকায় রয়েছে একাধিক খ্যাতনামা শিল্পীর নাম। তাঁদের শিল্পকাজ বিক্রি করে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গঠিত তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিতে চলেছে দিল্লির একটি আর্ট গ্যালারি DAM।

আরও পড়ুন : Lockdown 2.0: লকডাউনে কোন কোন দোকান খোলায় ছাড় দিল কেন্দ্র, দেখে নিন

গত ২০ এপ্রিল থেকে অয়েল পেন্টিং, কাগজ-বোর্ডের উপর শিল্প, ছবি, স্থাপত্য-সহ গ্যালারির মালিকাধীন ৫১টি শিল্পকাজ বিক্রি শুরু হয়েছিল। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তা বিক্রির কথা ছিল। তবে মাত্র দু’দিনেই সবগুলি বিক্রি হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্যালারির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও আশিস আনন্দ। ৩২ জন সেই শিল্পকাজগুলি কিনেছেন। তবে পিএম-কেয়ার্স নাকি মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সেই টাকা দেওয়া হবে, তা নির্ভর করছে ক্রেতাদের উপর।

আরও পড়ুন : Covid-19 Updates: নথিভুক্ত মৃত্যুর থেকে করোনার বলি অনেক বেশি হতে পারে : রিপোর্ট

গ্যালারির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানান, শিল্পকাজগুলির দাম মোটামুটি ৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে ছিল। তা আসল দামের থেকে প্রায় ২৫-৩৫ শতাংশ কম। আনন্দের কথায়, 'আমাদের গ্যালারির দাম বেশি। উদাহরণ হিসেবে নন্দলাল বসুর একটি সৃষ্টি যদি আমরা আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করি, তবে তার আসল দাম ছিল সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো। যে কারোর কাছে যাতে আকর্ষণীয় হয়, সেজন্যই দাম কমানো হয়েছে।'

আরও পড়ুন : করোনার বলি ‘২ টাকার ডাক্তার’, শোকে পাথর অসংখ্য দরিদ্র রোগী

তিনি জানান, করোনার জেরে প্রভাব পড়বে শিল্পকলার বাজারে। তবে সেই ধাক্কা সামলে বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন আনন্দ। তাঁর কথায়,'শিল্পকলার বাজারের অনেক কিছুও অনলাইনে চলে যাবে। ভার্চুয়াল প্রদর্শনীর সাক্ষী থাকবেন মানুষ, অনলাইনে দেখবেন। অর্থাৎ সেই শিল্পকলাগুলি আরও বেশি মানুষ দেখবেন। বাজার আরও বাড়বে।'

আরও পড়ুন : তেসরা মে কি শেষ হবে লকডাউন? মুম্বই ও কলকাতার হাল নিয়ে চিন্তিত কেন্দ্র


বন্ধ করুন