দিল্লির বাজারে থার্মাল স্ক্রিনিং (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
দিল্লির বাজারে থার্মাল স্ক্রিনিং (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

COVID-19 Updates: এক-তৃতীয়াংশ করোনা আক্রান্তের হদিশ দেশের তিন শহরে

  • তথ্য থেকে স্পষ্ট, দেশের কয়েকটি এলাকায় করোনার প্রকোপ সবথেকে বেশি পড়েছে।

খাতায়-কলমে দেশের অর্ধেকের বেশি জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তবে মহামারীর সবথেকে বেশি প্রকোপ বেড়েছে দেশের মাত্র ১২ জেলায়। অর্থাৎ সেখানেই অধিকাংশ করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

আরও পড়ুন : অনেক দিন থাকবে করোনাভাইরাস, আত্মতুষ্টি রুখতে সতর্ক করল WHO

শুধু তাই নয়, হিন্দুস্তান টাইমসের নিজস্ব বিশ্লেষণ অনুযায়ী দেশের তিনটি শহর - মুম্বই, দিল্লি ও আমদাবাদে করোনার ভয়াবহ প্রকোপ পড়েছে। দেশের প্রতি তিনজন করোনা আক্রান্তের মধ্যে একজন যে কোনও একটি শহরের বাসিন্দা। 

আরও পড়ুন : মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও টুইটে কেন 'মাননীয়' বলেনি কলকাতা পুলিশ, চটলেন বাবুল

হিন্দুস্তান টাইমসের ড্যাশবোর্ড (Covid19india.org ট্র্যাকার ও রাজ্যেগুলির স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য) অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২০,০০০৪। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দেশের ৭৩১ টি জেলার মধ্যে ৫৮.৩ শতাংশ জেলায় করোনার প্রভাব পড়েছে। আর দেশের অর্ধেকের বেশি (৫০.৮ শতাংশ) করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে আটটি রাজ্যের মাত্র ১২ টি জেলা থেকে। সেই জেলাগুলি হল - মুম্বই, আমদাবাদ, ইন্দোর, পুণে, জয়পুর, হায়দরাবাদ, থানে, সুরাত, চেন্নাই, ভোপাল, আগ্রা ও জোধপুর। তা থেকেই স্পষ্ট, কীভাবে নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় জাল বিস্তার করেছে করোনা।

আরও পড়ুন : ফেসবুকের সঙ্গে জিও-র চুক্তির পর ফের এশিয়ার সবচেয়ে ধনীর তকমা পেলেন মুকেশ আম্বানি

এছাড়া ২২২ টি জেলায় সর্বাধিক ১০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ৬৬ টি জেলায় ১১ থেকে ২০ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। ৪২ টি জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১-৩০ জন। ৯৬ জেলায় ৩০টির বেশি করোনা পজিটিভ কেসের হদিশ মিলেছে। তবে দিল্লিতে কোয়ারেন্টাইন করা তবলিগি জামাতের ১,০৮০ জন করোনা পজিটিভ সদস্যকে কোনও নির্দিষ্ট জেলায় রাখা হয়নি। 

আরও পড়ুন : Covid-19: ব্রিটেনে আজ থেকে মানুষের ওপর ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হল সম্ভাব্য করোনা টিকার

রাজধানীতে কীভাবে করোনার প্রভাব পড়েছে, তার তথ্যতালাশ এই তথ্য থেকে অবশ্য স্পষ্টভাবে পাওয়া যাবে না। কারণ মুম্বই, কলকাতা, আমদাবাদের মতো আলাদা জেলা নয় দিল্লি। রাজধানী হওয়ার কারণে দিল্লি ১১ টি রাজস্ব জেলায় বিভক্ত। তার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লিতে ১৩০, মধ্য দিল্লিতে ১৮৪ ও পশ্চিম দিল্লিতে ১২২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই তিনটি জেলা দেশের সর্বাধিক করোনা প্রভাবিত ২৫ জেলার তালিকায় রয়েছে।

আরও পড়ুন : মোরাদাবাদে স্বাস্থ্যকর্মী নিগ্রহে জড়িত ৫ জন করোনা পজিটিভ

হিন্দুস্তান টাইমসের ড্যাশবোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ (মঙ্গলবার পর্যন্ত) অনুযায়ী, দিল্লিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২,২৭২। আগে রয়েছে শুধু মুম্বই। সেখানে ৩,৪৫১ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আমদাবাদ (করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,৩৭৮)। অর্থাৎ দেশের মোট করোনা আক্রান্তের ৩৫.৫ শতাংশের হদিশ মিলেছে সেই তিনটি শহরে।

আরও পড়ুন : পড়ুয়াদের পাঠ্যবইয়ের অভাব পূর্ণ করতে ওয়েব পোর্টালের পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় সরকারের

এদিকে, দেশের সর্বাধিক করোনা প্রভাবিত জেলার তালিকায় কলকাতা না থাকলেও সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ উর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কলকাতায় ১৮৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৯।

খাতায়-কলমে দেশের অর্ধেকের বেশি জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তবে মহামারীর সবথেকে বেশি প্রকোপ বেড়েছে দেশের মাত্র ১২ জেলায়। অর্থাৎ সেখানেই অধিকাংশ করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

শুধু তাই নয়, হিন্দুস্তান টাইমসের নিজস্ব বিশ্লেষণ অনুযায়ী দেশের তিনটি শহর - মুম্বই, দিল্লি ও আমদাবাদে করোনার ভয়াবহ প্রকোপ পড়েছে। দেশের প্রতি তিনজন করোনা আক্রান্তের মধ্যে একজন যে কোনও একটি শহরের বাসিন্দা। 

হিন্দুস্তান টাইমসের ড্যাশবোর্ড (Covid19india.org ট্র্যাকার ও রাজ্যেগুলির স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য) অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২০,০০০৪। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দেশের ৭৩১ টি জেলার মধ্যে ৫৮.৩ শতাংশ জেলায় করোনার প্রভাব পড়েছে। আর দেশের অর্ধেকের বেশি (৫০.৮ শতাংশ) করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে আটটি রাজ্যের মাত্র ১২ টি জেলা থেকে। সেই জেলাগুলি হল - মুম্বই, আমদাবাদ, ইন্দোর, পুণে, জয়পুর, হায়দরাবাদ, থানে, সুরাত, চেন্নাই, ভোপাল, আগ্রা ও জোধপুর। তা থেকেই স্পষ্ট, কীভাবে নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় জাল বিস্তার করেছে করোনা।

এছাড়া ২২২ টি জেলায় সর্বাধিক ১০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ৬৬ টি জেলায় ১১ থেকে ২০ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। ৪২ টি জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১-৩০ জন। ৯৬ জেলায় ৩০টির বেশি করোনা পজিটিভ কেসের হদিশ মিলেছে। তবে দিল্লিতে কোয়ারেন্টাইন করা তবলিগি জামাতের ১,০৮০ জন করোনা পজিটিভ সদস্যকে কোনও নির্দিষ্ট জেলায় রাখা হয়নি। 

রাজধানীতে কীভাবে করোনার প্রভাব পড়েছে, তার তথ্যতালাশ এই তথ্য থেকে অবশ্য স্পষ্টভাবে পাওয়া যাবে না। কারণ মুম্বই, কলকাতা, আমদাবাদের মতো আলাদা জেলা নয় দিল্লি। রাজধানী হওয়ার কারণে দিল্লি ১১ টি রাজস্ব জেলায় বিভক্ত। তার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লিতে ১৩০, মধ্য দিল্লিতে ১৮৪ ও পশ্চিম দিল্লিতে ১২২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই তিনটি জেলা দেশের সর্বাধিক করোনা প্রভাবিত ২৫ জেলার তালিকায় রয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের ড্যাশবোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ (মঙ্গলবার পর্যন্ত) অনুযায়ী, দিল্লিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২,২৭২। আগে রয়েছে শুধু মুম্বই। সেখানে ৩,৪৫১ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আমদাবাদ (করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,৩৭৮)। অর্থাৎ দেশের মোট করোনা আক্রান্তের ৩৫.৫ শতাংশের হদিশ মিলেছে সেই তিনটি শহরে।

এদিকে, দেশের সর্বাধিক করোনা প্রভাবিত জেলার তালিকায় কলকাতা না থাকলেও সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ উর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত কলকাতায় ১৮৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৯। 

বন্ধ করুন