বাড়ি > ঘরে বাইরে > Covid-19 vaccine: ট্রায়ালে বাজিমাৎ করল রুশ টিকা, নেই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও
প্রথম দফার পরীক্ষায়  শরীরে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই অ্যান্ডিবডি গড়ে তুলতে সফল হয়েছে রাশিয়ার তৈরি ভ্যাক্সিন ‘স্পুটনিক ৫’।
প্রথম দফার পরীক্ষায়  শরীরে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই অ্যান্ডিবডি গড়ে তুলতে সফল হয়েছে রাশিয়ার তৈরি ভ্যাক্সিন ‘স্পুটনিক ৫’।

Covid-19 vaccine: ট্রায়ালে বাজিমাৎ করল রুশ টিকা, নেই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও

  • মানবশরীরে উপস্থিত রোগ প্রতিরোধকারী ‘টি সেল’-এও সাড়া জাগাতে সফল হয়েছে রুশ ভ্যাক্সিন।

কোভিড সমস্যা সমাধানের পথে বড় সাফল্য পেল রাশিয়ার তৈরি ভ্যাক্সিন। প্রথম দফার পরীক্ষায় প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে কোনও গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই অ্যান্ডিবডি গড়ে তুলতে সফল হয়েছে ‘স্পুটনিক ৫,’ বলছেন বিশ্লেষকরা।

পাশাপাশি, মানবশরীরে উপস্থিত রোগ প্রতিরোধকারী ‘টি সেল’-এও সাড়া জাগাতে সফল হয়েছে রুশ ভ্যাক্সিন। 

কোভিড ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের ঘোষণা করার পরে বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হয়েছে রাশিয়া। সমালোচকরা দাবি করেন, যথাযথ পরীক্ষা না করেই বাজারে ভ্যাক্সিন ছাড়ার ফন্দি এঁটেছে মস্কো। এই সমালোচনার মুখে পড়ে  তার ভ্যাক্সিনের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অপেক্ষায় রয়েছে রাশিয়া।

জানা গিয়েছে, রাশিয়ার দুই হাসপাতালে আয়োজিত ভ্যাক্সিন ট্রায়ালে অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়েসি ৭৬ জন স্বেচ্ছাসেবী। ট্রায়ালে ব্যবহার করা হয় দুই ভাবে বিভাজিত একটি ভ্যাক্সিন যাতে দুটি পৃথক অ্যাডিনোভাইরাস উপস্থিত ছিল। ভাইরাসগুলি আসলে সাধারণ সর্দি-কাশি সৃষ্টিকারী প্যাথোজেন, যার সাহায্যে মানবশরীরে প্যাথোজেনটি প্রবেশ করানো হয়। 

গবেষকরা মৃদু ও মাঝারি মাত্রার Covid-19 থেকে সেরে ওঠা মোট ৪,৮১৭ ব্যক্তির থেকে কনভ্যালেসেন্ট প্লাজমা সংগ্রহ করেন এবং ভ্যাক্সিন পরবর্তী প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে মানুষের শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনা করে দেখেন। দেখা গিয়েছে, ভ্যাক্সিনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি মাত্রায় উপস্থিত।

আগামী কয়েক সপ্তাহে পরীক্ষামূলক ভাবে চিকিৎসা কর্মী ও শিক্ষকদের শরীরে এই ভ্যাক্সিন প্রবেশ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুতিন সরকার। বছরের শেষে দেশজুড়ে বৃহত্তর ভ্যাক্সিন প্রচারে নামবে প্রশাসন। তবে এই খবরে রাজনৈতিক চাপের মুখে দেশের জনস্বাস্থ্য বড়সড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার ট্রায়ালে প্রথমে ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবককে বরফে জমানো ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করা হয় এবং তার ২১ দিন পরে তাঁদের কয়েক জনকে ঠান্ডা করে শুকানো ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়। দেখা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় টিকা নেওয়া স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি তৈরি হয়েছে। প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের ২৮ দিনের মধ্যে টি-সেল সাড়া দিয়েছে। 

গত ২৬ অগস্ট তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল আয়োজিত হয়। তার ফলাফলও যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। সেই সঙ্গে ভ্যাক্সিন থেকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছড়াতে দেখা যায়নি। 

 

বন্ধ করুন