বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Covid-19 Vaccine Updates: বড়দিনের মধ্যে অক্সফোর্ডের করোনা টিকা চলে আসার 'সামান্য সম্ভাবনা' আছে, জানালেন আধিকারিক
চলতি বছরের মধ্যে অক্সফোর্ডের সম্ভাব্য টিকার শেষ পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
চলতি বছরের মধ্যে অক্সফোর্ডের সম্ভাব্য টিকার শেষ পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

Covid-19 Vaccine Updates: বড়দিনের মধ্যে অক্সফোর্ডের করোনা টিকা চলে আসার 'সামান্য সম্ভাবনা' আছে, জানালেন আধিকারিক

  • আশা তৈরি হচ্ছে।

বড়দিনের মধ্যেই করোনাভাইরাসের টিকা চলে আসার ‘সামান্য সম্ভাবনা’ আছে। এমনটাই জানালেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট’-এর মুখ্য ট্রায়াল আধিকারিক অ্যান্ড্রু পোলার্ড।

তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যে অক্সফোর্ডের সম্ভাব্য টিকার শেষ পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে এটা স্পষ্ট নয় যে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে টিকা আসবে কিনা। পোলার্ডকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা রয়টার্স বলেছে, ‘আমি আশাবাদী যে চলতি বছরের মধ্যে সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারব।’

তার আগেই ব্রিটেনের টিকা সংক্রান্ত টাস্ক ফোর্সের প্রধান কেট বিঙ্গহ্যাম জানিয়েছিলেন, বড়দিনের মধ্যে করোনার টিকা তৈরি হয়ে যেতে পারে। বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘যদি প্রথম দুটি টিকা বা কোনও একটি টিকাই সুরক্ষিত ও কার্যকরী হয়, তাহলে বড়দিনের মধ্যে টিকা চলে আসার সম্ভাবনা আছে বলে আমার মনে হয়। নাহলে আমার মনে হয়, আগামী বছরের গোড়ার দিকে টিকা আসার বিষয়টি বেশি বাস্তবসম্মত।’

করোনা টিকা সংক্রান্ত যাবতীয় খবর দেখুন

এদিকে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (এসআইআই) সিইও আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যেই ভারতে মিলতে পারে করোনাভাইরাসের টিকা। তবে সঠিক সময় নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেলে তা সম্ভব হবে। ‘মিন্ট’-এ একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সেরামের সিইও বলেন, ‘ভারত ও ব্রিটেনে ট্রায়ালের সাফল্যের উপর ভিত্তি করে যদি সময়ের মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাই, তাহলে আমরা আশা করতে পারি যে ২০২১ সালের জানুয়ারির মধ্যে ভারতে টিকা পাওয়া যাবে। তবে সেটিকে অনাক্রম্যতা এবং কার্যকারিতার প্রমাণ দিতে হবে।’

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রোজেনেকার যৌথভাবে তৈরি করোনাভাইরাসের ‘ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেন্ট’-এর উৎপাদন করছে সেরাম। আপাতত ভারতে সেই সম্ভাব্য টিকার দ্বিতীয়/তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ১৮ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে কমপক্ষে ১,৬০০ জন স্বেচ্ছাসেবক যোগ দিয়েছিলেন। গত মাসেই শুরু হয়েছে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। তাতে আপাতত কোনও উদ্বেগের কিছু ধরা পড়েনি বলে জানিয়েছেন সেরামের সিইও।

পুনাওয়ালা বলেন, 'আপাতত ট্রায়াল নিয়ে যে তথ্য আছে, তাতে কোভিশিল্ড নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্বেগজনক কোনও কিছু মেলেনি। কোনওরকম সুরক্ষাজনিত উদ্বেগ ছাড়াই এখনও পর্যন্ত ভারত ও বিদেশে হাজার হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে।' তবে টিকার দীর্ঘকালীন প্রভাব বুঝতে দু'তিন বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বন্ধ করুন