বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘ভরে গিয়েছে হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ড!’ কোন সতর্কবার্তা হর্ষ গোয়েঙ্কার টুইটে
দেশে বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্ক। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

‘ভরে গিয়েছে হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ড!’ কোন সতর্কবার্তা হর্ষ গোয়েঙ্কার টুইটে

  • টুইটে হর্ষ গোয়েঙ্কা লেখেন ,এই হাসাতালে পাঁচদিন আগেও কোভিড কেসের সংখ্যা সবচেয়ে কম ছিল। গত একবছরের নিরিখে সেই সংখ্যা ওই হাসপাতালে ছিল কম। তবে ২৭ ডিসেম্বর তা সম্পূর্ণ রূপে ভর্তি।

২০২১ সালের প্রথমদিকে কোভিডের দানবীয় দ্বিতীয় স্রোতের ফলে গোটা দেশে কতটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার স্মৃতি এখনও টাটকা রয়েছে। কোথাও অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য হাহাকার, কোথাও বা বেড পেতে হয়রানি, আবার কোথাও শারীরিক কষ্টে ত্রাহি ত্রাহি রব। এসবের বাইরেও ছিল একাধিক করুণ দৃশ্য। কোভিডে মৃতদের জন্য সৎকারের স্থল খুঁজে পেতেও বহু যন্ত্রণায় ভুগতে হয়েছে রোগীর পরিবারকে। সেই স্মৃতি বুকে নিয়ে এই মুহূর্তে ভারত কোভিডের নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের জেরে ত্রস্ত। এই পরিস্থিতিতে শিল্পপতি হর্ষ গোয়েঙ্কার একটি টুইট ফের একবার সতর্কবার্তা দিচ্ছে।

হর্ষ গোয়েঙ্কা তাঁর এক টুইট পোস্টে লেখেন, তিনি যে হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত সেখানে সম্পূর্ণ রূপে ভরে গিয়েছে কোভিডের ওয়ার্ড। টুইটে তিনি লেখেন ,এই হাসাতালে পাঁচদিন আগেও কোভিড কেসের সংখ্যা সবচেয়ে কম ছিল। গত একবছরের নিরিখে সেই সংখ্যা ওই হাসপাতালে ছিল কম। তবে ২৭ ডিসেম্বর তা সম্পূর্ণ রূপে ভর্তি হয়ে যায়। ফলে এই ওয়ার্ডের ক্ষমতা সম্প্রসারণের চেষ্টা করা হচ্ছে, বলে টুইটে জানান হর্ষ গোয়েঙ্কা। টুইটে হর্ষ গোয়েঙ্কা লেখেন, 'ওমিক্রন এসে গিয়েছে আর তা ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত। সাবধান হোন। পার্টি করা বন্ধ করুন। মাস্ক পরুন। ভ্যাকসিন নিন।'

 

 

উল্লেখ্য, করোনার জেরে গত দেড় বছরে কার্যত রণক্লান্ত মহারাষ্ট্র। এদিকে, দ্বিতীয় স্রোতের পর কিছুটা সময় কাটিয়ে সবে মাত্র ছন্দে ফিরেছিল মুম্বই।  পরিসংখ্যান বলছে, সোমবার করোনার জেরে ৮০৯ টি কোভিড কেস দেখা গিয়েছে শহরে। রয়েছে তিনজনের মৃত্যুর খবর। রবিবার মায়ানগরী মুম্বইতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯২২ জন। উল্লেখ্য, মুম্বই পুরসভার দাবি, মুম্বইতে কেস লোড দ্বিগুণ হওয়ার সময়কাল ৯৬৭ দিন। এদিকে, এরই মাঝে ওমিক্রন ত্রাস কার্যত দংশন করছে বিভিন্ন দেশকে। ওমিক্রন ইস্যুতে হর্ষ গোয়েঙ্কার বিভিন্ন বক্তব্য বহু সময় শিরোনাম কেড়েছে। হর্ষ জানান, তিনি কয়েকজন চিকিৎসককে প্রশ্ন করেন যে, ওমিক্রন কেন দক্ষিণ আফ্রিকায় ততটা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেনি যতটা ইউরোপ বা আমেরিকায় ফেলছে? যার উত্তরে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, দক্ষিণ আফ্রিকার বাসিন্দাদের যে স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা , সেই তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইউরোপের মানুষদের একটু কম। এটা ওমিক্রনের প্রভাবের তারতম্যের ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য কারণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

 

 

বন্ধ করুন