বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Covid-19 Vaccine Updates: একসঙ্গে জোড়া করোনা টিকা ভারতে, কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনকে চূড়ান্ত অনুমোদন
একসঙ্গে ভারতে আসছে জোড়া করোনা টিকা, কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনকে চূড়ান্ত অনুমোদন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
একসঙ্গে ভারতে আসছে জোড়া করোনা টিকা, কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনকে চূড়ান্ত অনুমোদন। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

Covid-19 Vaccine Updates: একসঙ্গে জোড়া করোনা টিকা ভারতে, কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনকে চূড়ান্ত অনুমোদন

  • নয়া বছরেই সুখবর।

আগেই ছাড়পত্র দেওয়ার সুপারিশ করেছিল সরকারি বিশেষজ্ঞ কমিটি। এবার তাতে সিলমোহর দিলেন ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) ভি জে সোমানি। তার ফলে ভারতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমতি পেল জোড়া করোনাভাইরাস টিকা - অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন।

সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (এসআইআই) এবং ভারত বায়োটেকের আবেদনের পর্যালোচনার জন্য গত শনিবার বৈঠকে বসেছিল সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের (সিডিএসসিও) বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে ভারতে করোনা টিকা ব্যবহারের জন্য দুই সংস্থাকেই অনুমোদন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন ডিসিজিআই।

রবিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠকে ডিসিজিআই জানান, বিদেশের ক্নিনিকাল ট্রায়ালের ২৩,৭৪৫ অংশগ্রহণকারীর সুরক্ষা, কার্যকারিতা এবং অনাক্রম্যতা সংক্রান্ত তথ্য পেশ করেছিল সেরাম। যে ভারতীয় সংস্থা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটিশ-সুইডিশ ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা অ্যাস্ট্রোজেনেকার যৌথভাবে তৈরি করোনা টিকার উৎপাদন করছে। প্রত্যেকের বয়স ১৮ বা তার উর্ধ্বে ছিল। সার্বিকভাবে টিকার ৭০.৪২ শতাংশ কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে। একইসঙ্গে ভারতে যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালিয়েছে সেরাম, সেই তথ্যের সঙ্গে বিদেশের ক্নিনিকাল ট্রায়ালের মিল আছে। তার ভিত্তিতে জরুরি অবস্থায় নিয়ন্ত্রিতভাবে শর্তসাপেক্ষে অক্সফোর্ডের করোনা টিকা ব্যবহারের সুপারিশ করেছিল বিশেষজ্ঞ কমিটি।

অন্যদিকে কোভ্যাক্সিনের প্রসঙ্গে ডিসিজিআই জানান, যে প্রক্রিয়ায় আইসিএমআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির (এনআইভি) সঙ্গে যৌথভাবে যেভাবে করোনা টিকা তৈরি করেছে ভারত বায়োটেক, তা অত্যন্ত সুরক্ষিত পদ্ধতি। ভারত বায়োটেকের আবেদনে শিম্পাঞ্জি, খরগোশ, ইঁদুর-সহ বিভিন্ন প্রাণীর উপর চালানো পরীক্ষার তথ্য জমা দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ৮,০০০ অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, কোভ্যাক্সিনের ফলে মানবদেহে ভালো প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রতিক্রিয়া মিলছে। একইসঙ্গে ডিসিজিআই জানিয়েছেন, তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ২৫,৮০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে প্রায় ২২,৫০০ জনকে ইতিমধ্যে টিকা প্রদান করা হয়েছে। সেই তথ্য অনুযায়ী আপাতত কোভ্যাক্সিন সুরক্ষিত বলেই বিবেচিত হয়েছে। সেই ট্রায়াল এখনও চলবে। 

ডিসিজিআই বলেন, ‘পর্যাপ্ত পর্যালোচনার পর বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিডিএসসিও। সেইমতো জরুরি অবস্থায় নিয়ন্ত্রিতভাবে সেরাম এবং ভারত বায়োটেকের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’ যে দুটি টিকাই দুটি ডোজে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিসিজিআই।

টিকার সুরক্ষার বিষয়ে একেবারে নিশ্চিত হয়েই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ডিসিজিআই। তিনি বলেন, 'সুরক্ষা নিয়ে ন্যূনতম উদ্বেগ থাকলেও আমরা কোনও কিছুর অনুমোদন দিতাম না। হালকা জ্বর, ব্যথা এবং অ্যালার্জির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রতিটি টিকার ক্ষেত্রে সাধারণ বিষয়। এটা (মানুয যৌন অক্ষম হয়ে যাবেন) একেবারেই ভুলভাল।'

বন্ধ করুন