বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ৮৪ দিন নয়, ২৮ দিনের ব্যবধানেই মিলবে কোভিশিল্ডের ডোজ, ২ ক্ষেত্রে ছাড় কেন্দ্রের
বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাবেন, থানেতে চলছে টিকাকরণ। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাবেন, থানেতে চলছে টিকাকরণ। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

৮৪ দিন নয়, ২৮ দিনের ব্যবধানেই মিলবে কোভিশিল্ডের ডোজ, ২ ক্ষেত্রে ছাড় কেন্দ্রের

  • বিশেষ ক্ষেত্রে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের ব্যবধান কমানোর পথে হাঁটল কেন্দ্র।

বিশেষ ক্ষেত্রে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের ব্যবধান কমানোর পথে হাঁটল কেন্দ্র। আপাতত সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে প্রথম ডোজ নেওয়ার ন্যূনতম ৮৪ দিন পর পাওয়া যায় কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় ডোজ। তবে যাঁরা পড়াশোনা বা কর্মসূত্রে বিদেশে যাবেন বা টোকিয়ো অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সেই সময়সীমা কমিয়ে ২৮ দিন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরামর্শের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত পঞ্চম গোষ্ঠী। সেখানে বিশেষ ক্ষেত্রে ২৮ দিনের ব্যবধানে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজ নেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। সেইমতো যাঁরা পড়াশোনা বা কর্মসূত্রে বিদেশে যাবেন এবং খেলোয়াড় ও ক্রীড়াব্যক্তিরা অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করবেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ প্রক্রিয়ায় গতি আনার জন্য রাজ্যগুলিকে প্রতিটি জেলায় নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ ক্ষেত্রে যাঁদের ২৮ দিনের ব্যবধানে দুটি ডোজ দেওয়ার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ভ্রমণের কারণ সঠিক হতে হবে। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভরতি চিঠি, চাকরির চিঠি বা অলিম্পিকে সুযোগ পাওয়ার চিঠি খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সম্প্রতি ভারতে যেভাবে করোনার সংক্রমণ বেড়েছিল, তাতে ভারত থেকে যাওয়া যাত্রীদের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ চাপিয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশ। অনেক দেশের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, টিকার দুটি ডোজ দেওয়া হলে তবেই ঢোকার ছাড়পত্র দেওয়া হবে। কিন্তু তার জেরে সমস্যায় পড়েন বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়ারা। একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় চাকরির জন্য বিদেশে যেতে চাওয়া ভারতীয়দেরও। সবথেকে বেশি বিপাকে পড়েন কোভিশিল্ড গ্রহীতারা। আপাতত দেশে ১২-১৬ সপ্তাহের ব্যবধানে কোভিশিল্ড প্রদান করা হচ্ছে। তার ফলে অনেকেই একটা ডোজ নিলেও সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় ডোজের জন্য অনেকদিন অপেক্ষা করতে হত। সেক্ষেত্রে কোভিশিল্ডের একটি ডোজ নেওয়ার পর বিদেশে গিয়ে সেই দেশের টিকার দুটি ডোজ নিতে হত। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে কিনা, তা নিয়েও অনেকে আশঙ্কায় ছিলেন। শেষপর্যন্ত কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে স্বস্তি পেয়েছেন তাঁরা।

কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, টিকাকরণের সময় পরিচয়পত্র হিসেবে পাসপোর্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। টিকার শংসাপত্র পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করা থাকবে। প্রথম ডোজ নেওয়ার সময় অন্য কোনও পরিচয়পত্র ব্যবহার করলেও কোনও অসুবিধা হবে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এরকম বিশেষ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ডোজ প্রদানের জন্য কো-উইন পোর্টালে বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হবে।’

বন্ধ করুন