বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Cryptocurrency: ‘নিষিদ্ধ হতে চলেছে ডিজিটাল মুদ্রা’, বড়সড় ধস বিটকয়েন-ইথেরিয়ামে
ধস নামল বিয়কয়েন সহ একাধিক ক্রিপ্টোকারেন্সিতে। (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স) (REUTERS)
ধস নামল বিয়কয়েন সহ একাধিক ক্রিপ্টোকারেন্সিতে। (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স) (REUTERS)

Cryptocurrency: ‘নিষিদ্ধ হতে চলেছে ডিজিটাল মুদ্রা’, বড়সড় ধস বিটকয়েন-ইথেরিয়ামে

  • বেসরকারি বা ব্যক্তিগত ক্রিপ্টোকারেন্সির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই আনা হচ্ছে ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং সরকারি ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২১’।

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে বিল আনতে চলেছে কেন্দ্র। ভারতে সমস্ত বেসরকারি বা ব্যক্তিগত ক্রিপ্টোকারেন্সির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই আনা হচ্ছে ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং সরকারি ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২১’। আইন অনুযায়ী, শুধুমাত্র রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই) যে ডিজিটাল কারেন্সিতে অনুমোদন দেবে, সেগুলিই ভারতে চলবে। আর এই খবর প্রকাশ হতেই হুড়মুড়িয়ে কমেছে বিটকয়েন সহ একাধিক ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম।

সমস্ত প্রধান ডিজিটাল মুদ্রা প্রায় ১৫ শতাংশ বা তার বেশি পতন দেখেছে বিলের খবর প্রকাশ হতেই। বিটকয়েনের মূল্য প্রায় ১৮.৫৩ শতাংশ, ইথেরিয়াম ১৫.৫৮ শতাংশ এবং টেথারের মূল্য ১৮.২৯ শতাংশ কমে। উল্লেখ্য, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নিজেও ডিজিটাল যুগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছিলেন। বলেছিলেন, 'ক্রিপ্টোকারেন্সি যাতে ভুল হাতে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।' এর আগে বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত সিনহার সভাপতিত্বে অর্থনীতি বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটি বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে আলোচনায় বসেছিল।

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ব্যক্তিগত ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে এর আগেও 'গুরুতর উদ্বেগ' প্রকাশ করে। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দামী ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন। এর দাম প্রায় ৬০ হাজার ডলারের (প্রায় ৪০ লক্ষ ৮০ হাজার) আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। গত এক বছরেরও কম সময়ে এর দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। এর ফলে ভআরতীয় বিনিয়োগকারীদেরও আকৃষ্ট করেছে বিটকয়েন। বিশেষজ্ঞদের অনুমান অনুসারে ভারতে ১.৫ কোটি থেকে ২ কোটি ক্রিপ্টো বিনিয়োগকারী রয়েছেন। তাঁদের মোট ক্রিপ্টো হোল্ডিং প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হবে (৫.৩৯ বিলিয়ন ডলার)। এই আবহে সম্প্রতি, ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগে সহজ এবং উচ্চ রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজ্ঞাপনের সংখ্যা বাড়তে দেখা গিয়েছে। এই বিভ্রান্তিকর দাবি বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করার জন্য করা হচ্ছে। এই ধরনের মুদ্রা নিয়ে তাই আরও উদ্বেগ বেড়েছে সরকারের।

 

বন্ধ করুন