বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সুযোগ হাতছাড়া ভারতের! দুবাইয়ের পথে গোপনে পাকিস্তান পৌঁছল দাউদের ভাগ্নে সোহেল
দাউদ ইব্রাহিম ও সোহেল কসকর
দাউদ ইব্রাহিম ও সোহেল কসকর

সুযোগ হাতছাড়া ভারতের! দুবাইয়ের পথে গোপনে পাকিস্তান পৌঁছল দাউদের ভাগ্নে সোহেল

  • মুম্বই পুলিশ সূত্রের খবর, সোহেল যে আপাতত পাকিস্তানে রয়েছে , সেই খবর নিশ্চিত।

আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের ভাগ্নে সোহেল কসকরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের রয়েছে মুম্বইতে। মামা দাউদের মতো মুম্বই পুলিশের 'ওয়ান্টেড'-এর তালিকায় উপরের দিকে। এদিকে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে মাদ পাচার কাণ্ডে জড়িয়ে বন্দি ছিল মার্কিন মুলুকে। জানা গিয়েছে, তাকে হেফাজতে পেতে বহু উদ্যোগ নিয়েছিল মুম্বই পুলিশ। তবে শেষ রক্ষা হল না। দুবাইয়ের পথে নিরাপদে পাকিস্তানে পৌঁছে গেল সোহেল।

মুম্বই পুলিশ সূত্রের খবর, সোহেল যে আপাতত পাকিস্তানে রয়েছে , সেই খবর নিশ্চিত। মুম্বই পুলিশ কয়েকদিন আগেই পাকিস্তানের এক ফোন কল ঘিরে এই বিষয়টিতে নিশ্চিত হয়েছে। উল্লেখ্য়, গত ২০১৪ সালে পাকিস্তান থেকে মাদক পাচার কাণ্ডে মার্কিন প্রশাসনের ব়্যাডারে আসে দাউদের ভাগ্নে সোহেল কসকর। স্পেনে মাদককাণ্ডে গ্রেফতারির পর সোহেলকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফডিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর মার্কিন মুলুকে নিজের বন্দি জীবন কাটাতে থাকে সে। সেই সময়ই মুম্বই পুলিশ তাকে হেফাজতে নিতে বহু উদ্যোগ নেয়। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সোহেলের বন্দিদশা শেষ হতেই মুম্বই পুলিশ তাকে ধরতে উদ্যোগী হয়। তবে শেষমেশ দুবাইয়ের পথে নিরাপদে সে পাকিস্তান চলে গিয়েছে বলে খবর।

আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের ভাগ্নে সোহেল কসকরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের রয়েছে মুম্বইতে। মামা দাউদের মতো মুম্বই পুলিশের 'ওয়ান্টেড'-এর তালিকায় উপরের দিকে। এদিকে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে মাদ পাচার কাণ্ডে জড়িয়ে বন্দি ছিল মার্কিন মুলুকে। জানা গিয়েছে, তাকে হেফাজতে পেতে বহু উদ্যোগ নিয়েছিল মুম্বই পুলিশ। তবে শেষ রক্ষা হল না। দুবাইয়ের পথে নিরাপদে পাকিস্তানে পৌঁছে গেল সোহেল।

মুম্বই পুলিশ সূত্রের খবর, সোহেল যে আপাতত পাকিস্তানে রয়েছে , সেই খবর নিশ্চিত। মুম্বই পুলিশ কয়েকদিন আগেই পাকিস্তানের এক ফোন কল ঘিরে এই বিষয়টিতে নিশ্চিত হয়েছে। উল্লেখ্য়, গত ২০১৪ সালে পাকিস্তান থেকে মাদক পাচার কাণ্ডে মার্কিন প্রশাসনের ব়্যাডারে আসে দাউদের ভাগ্নে সোহেল কসকর। স্পেনে মাদককাণ্ডে গ্রেফতারির পর সোহেলকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফডিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর মার্কিন মুলুকে নিজের বন্দি জীবন কাটাতে থাকে সে। সেই সময়ই মুম্বই পুলিশ তাকে হেফাজতে নিতে বহু উদ্যোগ নেয়। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সোহেলের বন্দিদশা শেষ হতেই মুম্বই পুলিশ তাকে ধরতে উদ্যোগী হয়। তবে শেষমেশ দুবাইয়ের পথে নিরাপদে সে পাকিস্তান চলে গিয়েছে বলে খবর।

|#+|

শুধু সোহেল নয়, তার সঙ্গী দানিশ আলিকেও হেফাজতে চেয়েছিল ভারত। তবে , ভারতে প্রত্যার্পণের বিষয়টি নিয়ে আইনি পথে হেঁটে কিছুটা সুবিধা পেয়ে যায় ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড দাউদ ইব্রাহিমের ভাগ্নে সোহেল। এর আগে, ২০১৮ সালে সোহেল সম্পর্কে তথ্য দিয়ে ভারতকে সাহায্য করেছিল আমেরিকা। তারা জানিয়েছিল, সোহেলের বন্দি দশা শেষ হলেই সে স্বতন্ত্র। সেই সময় তাকে জালে নেওয়া ভারতের পক্ষে আইনি সমস্যার হবে না। তবে সুযোগ হাতছাড়া হয় মুম্বই পুলিশের। উল্লেখ্য, দাউদের বোন নুরা ইব্রাহিমের ছেলে সোহেল। ২০১০ সালে নুরা কিডনি জনিত সমস্যায় জেরবার হয়ে মারা যান।

 

বন্ধ করুন