বাড়ি > ঘরে বাইরে > হেঁটে নয়, মালিকের সৌজন্যে বিমানে চেপে বাড়ি ফিরলেন বিহারের ১০ শ্রমিক
ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে মালিকের জন্য কৃতজ্ঞতা ও বিমানে চড়ার উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন শ্রমিকরা।
ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে মালিকের জন্য কৃতজ্ঞতা ও বিমানে চড়ার উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন শ্রমিকরা।

হেঁটে নয়, মালিকের সৌজন্যে বিমানে চেপে বাড়ি ফিরলেন বিহারের ১০ শ্রমিক

  • জীবনে কখনও বিমানে চড়বেন, তা কল্পনাও করেননি ১০ শ্রমিক।

গত কুড়ি বছর তাঁর জন্য পরিশ্রম করেছেন। প্রতিদানে ১০ শ্রমিককে বিমানে বিহারে বাড়ি পাঠালেন দিল্লির কৃষিজীবী পাপ্পন গেহলট। 

বৃহস্পতিবার পাপ্পনের ভাই নিরঞ্জন গেহলট এএনআই-কে জানিয়েছেন, ‘ট্রেনের টিকিট কাটার চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। তার পর ভাবলাম, এই লোকগুলো গত ২০ বছর ধরে আমাদের জন্য পরিশ্রম করেছেন। ওঁদের নিরাপদে বাড়ি ফেরত পাঠানো আমাদের কর্তব্য। তাই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরে ওঁদের জন্য বিমানের টিকিট কেটে ফেলি।’

জীবনে কখনও বিমানে চড়বেন, তা কল্পনাও করেননি ১০ শ্রমিক। সকাল ৬টায় পটনার বিমান ধরতে এ দিন ভোরবেলা ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে মালিকের জন্য কৃতজ্ঞতা ও বিমানে চড়ার উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন তাঁরা। 

হেঁটে বা সাইকেলে নয়, বিমানে চেপে ঘরে ফিরবেন স্বপ্নেও ভাবেননি সমস্তিপুরের বাসিন্দা ওই শ্রমিকরা। তাঁদের মধ্যে একজন, বছর পঞ্চাশের লখীন্দর রাম স্পষ্ট জানালেন যে আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে প্রথম বার বিমানে সফর করার কারণে কিছুটা ঘাবড়েও রয়েছেন। 

কৃতজ্ঞ শ্রমিক স্বীকার করেছেন, ২৭ বছর ধরে গেহলটদের জন্য কাজ করছেন। গত ২৫ মার্চ লকডাউন আরোপ করার পরে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা সব কিছু মালিকই করেছেন বলে তিনি জানান। 

দিল্লির তিগিপুর গ্রামে গেহলটদের একটি মাশরুম খামার রয়েছে। শ্রমিকদের জন্য শুধু ৬৮,০০০ টাকা দিয়ে বিমানের টিকিটই নয়, বাড়ি ফিরে যাতে সমস্যায় না পড়েন তাই তাঁদের মাথাপিছু ৩,০০০ টাকাও দিয়েছেন গেহলট। 

বন্ধ করুন