বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > অতিরিক্ত জল দুষণ, যমুনা নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করল দিল্লি সরকার
দুষণের মাত্রা লাগামছাড়া যমুনা নদীতে (ফাইল ছবি)
দুষণের মাত্রা লাগামছাড়া যমুনা নদীতে (ফাইল ছবি)

অতিরিক্ত জল দুষণ, যমুনা নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করল দিল্লি সরকার

  • গত দুই দশকে যমুনাতে জলজ প্রাণীর সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। একদিকে কম জল ও অন্য়দিকে দুষণের জেরে এই ঘটনা হচ্ছে। দাবি মৎস্যজীবীদের।

জলদুষণের মাত্রা লাগামছাড়া। এবার যমুনা নদীর একাংশে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি সরকার। সরকারি নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, যমুনা নদীতে দুষণের মাত্রা অতিরিক্ত। সেকারণে ইন্ডিয়ান ফিসারিজ অ্যাক্ট অনুসারে যমুনার দুটি নির্দিষ্ট অংশে মাছ ধরার যাবতীয় ছাড়পত্রকে আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ওই এলাকায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইরে থেকে জল এসে নদীতে মিশছে এমন এলাকাগুলিতেই মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হিন্ডন ক্যানেল, গাজিপুর ড্রেন, শাদিপুর ড্রেন সহ নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে দিল্লি দুষণ নিয়ন্ত্রক কমিটির দাবি সাম্প্রতিক তথ্য সেভাবে পাওয়া যায়নি। তবে নদীর অন্য়ান্য অংশের তুলনায় ফিসিং পকেটগুলিতে দুষণের মাত্রা কম থাকার কথা। এদিকে যমুনার বিভিন্ন অংশে মাছ ধরাটাই অনেকের জীবিকার মধ্যে পড়ে। তবে তাঁদের মতে গত দুই দশকে যমুনাতে জলজ প্রাণীর সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। একদিকে কম জল ও অন্য়দিকে দুষণের জেরে এই ঘটনা হচ্ছে। তবে এখনও পুঁটি, গোল্ডেন ফিস পাওয়া যায় যমুনাতে। পরিবেশবিদ বিমলেন্দু ঝা টুইট করে জানিয়েছেন, যমুনার জল জঘন্য হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি এখানকার রাজনীতি ও রাজনীতিবিদদেরও একই অবস্থা।হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে নদীকে দুষণমুক্ত করার ব্যাপারে, নান প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে কিন্তু নদীর নামে একটি নিকাশি নালা বইছে। 

 

জলদুষণের মাত্রা লাগামছাড়া। এবার যমুনা নদীর একাংশে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি সরকার। সরকারি নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, যমুনা নদীতে দুষণের মাত্রা অতিরিক্ত। সেকারণে ইন্ডিয়ান ফিসারিজ অ্যাক্ট অনুসারে যমুনার দুটি নির্দিষ্ট অংশে মাছ ধরার যাবতীয় ছাড়পত্রকে আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ওই এলাকায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইরে থেকে জল এসে নদীতে মিশছে এমন এলাকাগুলিতেই মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হিন্ডন ক্যানেল, গাজিপুর ড্রেন, শাদিপুর ড্রেন সহ নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে দিল্লি দুষণ নিয়ন্ত্রক কমিটির দাবি সাম্প্রতিক তথ্য সেভাবে পাওয়া যায়নি। তবে নদীর অন্য়ান্য অংশের তুলনায় ফিসিং পকেটগুলিতে দুষণের মাত্রা কম থাকার কথা। এদিকে যমুনার বিভিন্ন অংশে মাছ ধরাটাই অনেকের জীবিকার মধ্যে পড়ে। তবে তাঁদের মতে গত দুই দশকে যমুনাতে জলজ প্রাণীর সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। একদিকে কম জল ও অন্য়দিকে দুষণের জেরে এই ঘটনা হচ্ছে। তবে এখনও পুঁটি, গোল্ডেন ফিস পাওয়া যায় যমুনাতে। পরিবেশবিদ বিমলেন্দু ঝা টুইট করে জানিয়েছেন, যমুনার জল জঘন্য হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি এখানকার রাজনীতি ও রাজনীতিবিদদেরও একই অবস্থা।হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে নদীকে দুষণমুক্ত করার ব্যাপারে, নান প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে কিন্তু নদীর নামে একটি নিকাশি নালা চলছে। 

|#+|

 

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন