বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে চিঠি ছড়ানোর সন্দেহে খুন, যাবজ্জীবন গুরমিত রাম রহিমের
গুরমিত রাম রহিম সিং। (ফাইল ছবি, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
গুরমিত রাম রহিম সিং। (ফাইল ছবি, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে চিঠি ছড়ানোর সন্দেহে খুন, যাবজ্জীবন গুরমিত রাম রহিমের

গুরমিত রাম রহিম ইতিমধ্যে জেলে আছেন। দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের দায়ে ২০১৭ সালে তাঁকে ২০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছিল।

প্রায় ১৯ বছরের পুরনো খুনের মামলায় গুরমিত রাম রহিম সিংকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আদালত। ২০০২ সালের সেই খুনের মামলায় ডেরা সাচা সৌদার প্রধান ছাড়াও চারজনের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে।

গত ৮ অক্টোবর ডেরার প্রাক্তন ম্যানেজার রঞ্জিত সিংয়ের হত্যার ঘটনায় গুরমিত রাম রহিম, কৃষ্ণন লালা, জসবীর সিং, অবতার সিং এবং সবদিলকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল পঞ্চকুলার বিশেষ সিবিআই আদালত। সোমবার সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘পাঁচজনকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত।’ সেইসঙ্গে গুরমিত রাম রহিমকে ৩১ লাখ টাকা এবং বাকি চারজনকে ৫০,০০০ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

কোন মামলায় যাবজ্জীবন?

২০০২ সালের ১০ জুলাই হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের খানপুর কোলিয়ান গ্রামে ডেরার প্রাক্তন ম্যানেজার রঞ্জিতকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। বিভিন্ন মহল থেকে দাবি করা হয়েছিল, ডেরার সদর দফতরে মহিলাদের যৌন হেনস্থার অভিযোগে বেনামী চিঠি ছড়ানোর পিছনে রঞ্জিতের হাত আছে সন্দেহে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (সিবিআই) চার্জশিট অনুযায়ী, গুরমিতের ধারণা ছিল যে সেই বেনামী চিঠি ছড়ানোর পিছনে রঞ্জিতের হাত আছে। তাই তাঁকে হত্যার জন্য ষড়যন্ত্র তৈরি করেছিলেন। সোমবারের রায়ের পর রঞ্জিতের ছেলে জগসীর বলেন, ‘(সাজা নিয়ে) আমরা সন্তুষ্ট। আমার পরিবারের জন্য এটা দীর্ঘ লড়াই ছিল। এই বছরগুলি আমরা ভয়ে-ভয়ে বেঁচে আছি। কিন্তু ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছি।’

এমনিতেই গুরমিত রাম রহিম ইতিমধ্যে জেলে আছেন। ধর্ষণ এবং অপর একটি খুনের মামলায় জেলে কাটাতে হচ্ছে তাঁকে। দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের দায়ে ২০১৭ সালে তাঁকে ২০ বছরের সাজা দেওয়া হয়েছিল। আপাতত রোহতকের সুনারিয়া জেলেই আছেন তিনি।

বন্ধ করুন