(প্রতীকী ছবি)
(প্রতীকী ছবি)

মদের নেশায় বেহুঁশ ইটভাটা শ্রমিককে খুবলে খেল কুকুর

  • বুক ও পিঠ থেকে কোমর পর্যন্ত মাংস ছিঁড়ে নেওয়ার ফলে শুধুমাত্র পাঁজরের কয়েকটি হাড় অবশিষ্ট থাকতে দেখা যায়।

মদের নেশায় বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকা ইটভাটা শ্রমিকের দেহ খুবলে খেল পথকুকুরের দল। বারাণসীর মর্মান্তিক ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে বারাণসী জেলার লোহতা থানার অধীনে খেউসীপুর গ্রামে ইটভাটার এক শ্রমিকের ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন গ্রামবাসী। দেহটি ভাটা সংলগ্ন নির্জন স্থানে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ভিড় করেন। 

দেহটি পথকুকুররা খুবলে খাওয়ার ফলে মৃতের চেহারা বোঝা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বুক ও পিঠ থেকে কোমর পর্যন্ত মাংস ছিঁড়ে নেওয়ার ফলে শুধুমাত্র পাঁজরের কয়েকটি হাড় অবশিষ্ট থাকতে দেখা যায়। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন থানার অধ্যক্ষ রাকেশ কুমার সিং এবং এক আধিকারিক রাধেশ্যাম সিং। সরেজমিনে তদন্তে নেমে মৃত শ্রমিকের পকেট থেকে পাওয়া আধার কার্ড সূত্রে মৃতের পরিচয় জানা যায়। 

জানা গিয়েছে, নিহত শ্রমিক গুপ্তেশ্বর সিং স্থানীয় পাওয়ার ইটভাটায় কাজ করতেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত দুই দিন ধরে মদ্যপান করার ফলে তিনি নেশাতুর অবস্থায় গ্রামে গুরে বেড়াচ্ছিলেন। বুধবার রাতেও তাঁকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় টলতে দেখা গিয়েছে। 

ঘটনাস্থলে এর পর এসে পৌঁছন সিও সদর অভিষেক পাণ্ডেয়। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে নিহত শ্রমিক নেশাগ্রস্ত ছিলেন বলে প্রমাণ মিলেছে। তাঁকে পশুরা খুবলে খেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না হলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সিও। 

আদতে শিবপুর গ্রামের পরমানন্দ পাণ্ডেয়র ইটভাটায় কাজ করলেও গুপ্তেশ্বরের দেহ পাওয়া গিয়েছে খেউসীপুর গ্রামে। এই নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

বন্ধ করুন