বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Dolo 650 লিখতে চিকিত্সকদের ১,০০০ কোটির ‘উপহার’, কড়া পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের

Dolo 650 লিখতে চিকিত্সকদের ১,০০০ কোটির ‘উপহার’, কড়া পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের

ছবি- হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা (HT Bangla)

Supreme Court on Dolo Case: বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, আপনার কথাগুলো যেন আমার কানে সঙ্গীতের মতো বাজছে। আমার সম্প্রতি কোভিড হয়েছিল, ঠিক এই ওষুধটাই দেওয়া হয়েছিল। এটি একটি গুরুতর সমস্যা। আমরা এ বিষয়ে নজর দেব।

প্রায় ১,০০০ কোটি টাকার উপহার বিতরণ চিকিত্সকদের। অনুরোধ একটাই। প্রেসক্রিপশনে ডোলোর প্যারাসিটামল উল্লেখ করা। এমন করেই দ্রুত বাজার দখল নিচ্ছিল ডোলো ট্যাবলেট। সিবিডিটি-র তদন্তে উঠে এসেছে পুরোটাই। এক এনজিও বিষয়টি উত্থাপন করে সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি বেশ গুরুতর বলে উল্লেখ করেছে সর্বোচ্চ আদালত।

পিটিশনকারী 'ফেডারেশন অফ মেডিকেল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া'-র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী সঞ্জয় পারিখ এবং অপর্ণা ভাট। তাঁরা বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং এএস বোপান্নার সামনে বিষয়টি তুলে ধরেন। আইনজীবীরা বলেন, ৫০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত যে কোনও ট্যাবলেটের বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু তার বেশি হলে সেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। সেটার দাম নির্ধারণ করতে পারে সংশ্লিষ্ট ফার্মা সংস্থাই।

সঞ্জয় পারিখ অভিযোগ করেন, বেশি মুনাফা নিশ্চিত করার জন্য, ডলো ট্যাবলেট প্রস্তুতকারী সংস্থাটি ৬৫০ মিলিগ্রাম ওষুধ লিখে দেওয়ার জন্য চিকিত্সকদের বিনামূল্যে লোভনীয় উপহার বিতরণ করেছে। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দাখিল করুক। তার পরে আদালতের নজরে এই জাতীয় আরও তথ্য আনতে চান পিটিশনকারীরা।

বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেন বিচারপতিরা। বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, আপনার কথাগুলো যেন আমার কানে সঙ্গীতের মতো বাজছে। আমার সম্প্রতি কোভিড হয়েছিল, ঠিক এই ওষুধটাই দেওয়া হয়েছিল। এটি একটি গুরুতর সমস্যা। আমরা এ বিষয়ে নজর দেব।

এরপর বেঞ্চ অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল কে এম নটরাজকে আবেদনকারীর আবেদনের ভিত্তিতে সরকারি প্রতিক্রিয়া দাখিল করতে বলে। জবাব দাখিল করার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য বিষয়টি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ, চিকিত্সকদের ইলেকট্রনিক দ্রব্য, সোনার গহনা, বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ ইত্যাদি লোভনীয় উপহার দিত নির্মাতা মাইক্রো ল্যাবস। তার বদলে তাঁদের ডোলোর ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে বলা হত। গত ৬ জুলাই ডোলোর ৩৬টি অফিসে হানা দেয় আয়কর দফতর। ৯টি রাজ্য মিলিয়ে এই অভিযানে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, মার্কেটিংয়ের নামে ১,০০০ কোটি টাকার উপহার বিলিয়েছিল মাইক্রো ল্যাবস। আর তার ফলে অন্যান্য প্যারাসিটামলদের টেক্কা দিয়ে এক ধাক্কায় বিক্রি বাড়িয়ে ফেলেছিল তারা।

ডোলোর ওষুধের পুরো ব্যাপারটা জানতে চান? ক্লিক করুন এইখানে, আর দেখুন কীভাবে অনায্য পদ্ধতিতে বাজার দখলের অভিযোগ রয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে।

বন্ধ করুন