বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Tripura: ‌ত্রিপুরায় বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার ডাহা ফেল:‌ অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (HT_PRINT)

Tripura: ‌ত্রিপুরায় বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার ডাহা ফেল:‌ অভিষেক

  • তিনি জানালেন, ‘‌আগরতলায় এক ঘণ্টা বৃষ্টি হলে জল জমে যায়। রাস্তার এমন অবস্থা যে অন্তঃসত্ত্বাদের কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয়। ২৪৫ কোটি টাকা দিয়ে আগরতলায় স্মার্ট সিটি তৈরি করে এই হাল।’‌

ত্রিপুরার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপি বিরোধী ভোট তৃণমূলে আনার ডাক দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেস বা সিপিএমকে নয়, ত্রিপুরায় গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা যে একমাত্র তৃণমূলই করতে পারবে, সেই বার্তাই দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ত্রিপুরায় চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। পুরভোটের পর এবার ফের লড়াইয়ের ময়দানে অভিষেক।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিভিন্ন জনবিরোধী কার্যকলাপের কথা তুলে ধরেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‌ত্রিপুরায় বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার ডাহা ফেল। ত্রিপুরার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা ও নাগরিক পরিষেবা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। বিজেপি নানা সময়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কোনও প্রতিশ্রুতিই পালন করেনি।’‌ একইসঙ্গে অভিষেক জানান, ‘‌দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক হিংসা ত্রিপুরায় চলছে। এখানে যদি রাজনৈতিক পরিবর্তন না হয়, তাহলে এখানকার মানুষের খুব বিপদ। ত্রিপুরায় বিজেপিকে উৎখাত করতেই হবে।’‌ তৃণমূলই যে ত্রিপুরায় গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে পারবে, সেই বার্তা দিয়ে অভিষেক জানান, ‘‌তৃণমূল প্রথম দিন থেকে জনতার পাশে ছিল। আগামীদিনেও থাকবে। তৃণমূল কারও কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করে না। তমসাছন্ন ত্রিপুরায় সোনালি দিন আনতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল।’‌

আগামী ২৩ জুন ত্রিপুরায় চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। এবারের এই উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের আগে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক প্রচারের ঝাঁঝ তুঙ্গে উঠেছে। সেই ত্রিপুরার মাটিতে দাঁড়িয়েই বিজেপিকে চাঁচাছোলা আক্রমণ করলেন অভিষেক। তিনি জানালেন, ‘‌আগরতলায় এক ঘণ্টা বৃষ্টি হলে জল জমে যায়। রাস্তার এমন অবস্থা যে অন্তঃসত্ত্বাদের কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয়। ২৪৫ কোটি টাকা দিয়ে আগরতলায় স্মার্ট সিটি তৈরি করে এই হাল।’‌ একইসঙ্গে বেকারত্বের হার নিয়ে পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজেপিকে বিধেঁছেন অভিষেক। তিনি জানান, ত্রিপুরায় যেখানে বেকারত্বের হার ১৮ শতাংশ, সেখানে বাংলায় বেকারত্বের হার চার শতাংশ।

বন্ধ করুন