বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ECWCS প্রযুক্তি প্রথমবার ভারতীয় ৫ সংস্থার হাতে তুলে দিল DRDO
মাইনাস ৫০ ডিগ্রিতেও এই পোশাক চাঙ্গা রাখবে! ECWCS প্রযুক্তি নিয়ে বড় পদক্ষেপ DRDO। (ছবি সৌজন্য এএনআই)

ECWCS প্রযুক্তি প্রথমবার ভারতীয় ৫ সংস্থার হাতে তুলে দিল DRDO

  • উচ্চ অক্ষাংশের প্রবল ঠান্ডায় চলাফেরা করার মতো যাবতীয় শর্ত রয়েছে এই পোশাক তৈরির প্রযুক্তিতে।

মাইনাস পঞ্চাশ ডিগ্রি হোক বা ১৫ ডিগ্রি, শীতের তারতম্য যেমনই হোক ডিআরডিওর তৈরি 'এক্সট্রিম কোল্ড ওয়েদার ক্লোথিং সিস্টেম' এর প্রযুক্তিতে তৈরি করা পোশাক চাঙ্গা রাখতে বাধ্য। আর এই বিশেষ প্রযুক্তিই এবার দেশের ৫টি বড় সংস্থার হাতে তুলে দিল ডিআরডিও। ডিফেন্ড রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)র তরফে প্রতিষ্ঠানের ডিফেন্স রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান সতীশ রেড্ডি এই প্রযুক্তি মঙ্গলবার ৫ টি সংস্থার হাতে তুলে দেন।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা যখন হিমালয়ের পার্বত্য এলাকায় প্রবল ঠান্ডার মধ্যে কর্তব্যে অবিচল থাকে, তখন সেই পরিস্থিতিতে এক বিশেষ ধরনের পোশাকের প্রয়োজন পড়ে। এই বিশেষ ধরনের পোশাকই ইসিডাব্লিউসিএস প্রযুক্তিতে তৈরি। পাহাড়ের খুব উঁচুতে বরফঠান্ডায় থাকাকালীন ভারতীয় সেনা জওয়ানদের এই বিশেষ পোশাক কয়েকদিন আগে পর্যন্ত বাইরের দেশ থেকে কিনে আনছিল ভারতীয় সেনা। তবে, ভারতের বুকে এই পোশাক তৈরির প্রযুক্তি ভারতের ডিআরডিও-র উদ্ভাবনী ক্ষমতার একটি দিক । এই পোশাক তৈরির প্রযুক্তিতে মডিউলার টেকনিক্যাল ক্লোথিংকে ব্যবহার করা হয়। তার সঙ্গেই থাকে থার্মাল ইনসিউলেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক।

'এক্সট্রিম কোল্ড ওয়েদার ক্লোথিং সিস্টেম' প্রযুক্তিতে পোশাক কিছু বিশেষ শারীরবৃত্তির ক্রিয়াকে মাথায় রেখে তৈরি করা হয়। যেখানে প্রবল ঠান্ডায় শ্বাস প্রশ্বাস থেকে উৎপন্ন হওয়া উষ্ণতা, অপ্রতিরোধ্যভাবে হাঁটাচলা, ঘামকে শুষে নেওয়ার মতো বিষয়গুলিকে মাথায় রাখা হয়। এছাড়াও বরফপাতে যাতে কোনও মতেই জামাকাপড় ভিজে না যায়, তার জন্য ওয়াটার প্রুফ প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়, তার চিন্তাভাবনা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই পোশাক। উল্লেখ্য, উচ্চ অক্ষাংশে চলাফেরা করার মতো যাবতীয় শর্ত রয়েছে এই পোশাক তৈরির প্রযুক্তিতে। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকের মতে, হিমালয় পার্বত্য এলাকায়, প্রায়ই আবহাওয়া বদলে যায়। আর সেই পরিস্থিতিকে নজরে রেখে এই বিশেষ প্রযুক্তিতে এই বিশেষ পোশাক বানানো হয়। এদিকে, এই প্রযুক্তিকে দেশের ৫ সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার পর ডিআরডিওর তরফে ডক্টর জি সতীশ রেড্ডি বলেন, শুধু যে ভারতীয় সেনার প্রয়োজনকে নজরে রেখেই এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ তা নয়। এই পোশাকের রপ্তানীর সম্ভাবনার দিকটিও উজ্জ্বল বলে তিনি বার্তা দেন।

 

বন্ধ করুন