লকডাউনের মাঝে আটকে পড়া দুর্গতদের জন্য খাবার রান্না করা হচ্ছে ভোপালে রাজভবনের সমবায় হেঁশেলে। তদারকি করছেন মধ্য প্রদেশের রাজ্যপাল লালজিভাই ট্যান্ডন। ছবি: এএনআই।
লকডাউনের মাঝে আটকে পড়া দুর্গতদের জন্য খাবার রান্না করা হচ্ছে ভোপালে রাজভবনের সমবায় হেঁশেলে। তদারকি করছেন মধ্য প্রদেশের রাজ্যপাল লালজিভাই ট্যান্ডন। ছবি: এএনআই।

মায়ের শ্রাদ্ধে ১,৫০০ লোক খাইয়ে সংক্রমণ ধরা পড়ল দুবাই-ফেরত দম্পতির, সিল কলোনি

  • দম্পতির ২৩ জন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের নমুনা পরীক্ষা করার পরে ১০ জনের শরীরে করোনা উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে।

মায়ের শ্রাদ্ধের ভোজে ১,৫০০ নিমন্ত্রিতকে আপ্যানকারী দুবাই-ফেরত ব্যক্তি ও তাঁর স্ত্রী Covid-19 এ আক্রান্ত হলেন। মধ্য প্রদেশের মোরেনা জেলার ওই দম্পতির ১০ আত্মীয়ের নমুনাতেও করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ল।

দেশের আরও এক করোনা হটস্পট গড়ে ওঠার আশঙ্কায় গোটা কলোনি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। পরীক্ষা করা হচ্ছে বাকি নিমন্ত্রিতদের নমুনা।

দুবাইয়ের এক রেস্তোরাঁয় ওয়েটার হিসেবে কর্মরত সুরেশ গত ১৭ মার্চ দেশে ফিরে ২০ মার্চ মায়ের শ্রাদ্ধ উপলক্ষে ভোজসভার আয়োজন করেন। সেখানে তাঁর নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হন ১,৫০০ জন।

অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত ওই দম্পতির ২৩ জন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের নমুনা পরীক্ষা করার পরে ১০ জনের শরীরে করোনা উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে। তাঁদের ওই দম্পতির সঙ্গে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। বাকি আত্মীয়দের নমুনা নেগেটিভ হলেও তাঁদের ১৪ দিন নিজেদের বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, দেশে ফেরার কয়েক দিন আগে দুবাইতে পরীক্ষা করা হলেও সুরেশের দেহে সংক্রমণের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে রওয়া দেওয়ার দুই দিন আগে তাঁর স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গিয়েছে। শ্রাদ্ধের দুই দিন পরে, গত ২৫ মার্চ ওই দম্পতির নমুনা করোনা পজিটিভ প্রমাণিত হয়।

এ পর্যন্ত ভারতে করোনা সংক্রামিত হয়েছেন মোট ২,৫৪৭ জন। মারা গিয়েছেন ৬২ জন। এর মধ্যে মধ্য প্রদেশে সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ১৫৪ জন।

এর আগে দিল্লির নিজামুদ্দিনে তবলিঘি জামাত সম্প্রদায় আয়োজিত বিশাল ধর্মীয় সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৫০ জনের নমুনায় Covid-19 এর উপস্থিতি ধরা পড়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় সংক্রমণের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে জামাতের এই সমাবেশ। তার জেরে দেশের প্রত্যন্ত প্রান্তেও ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ জীবাণু।

বন্ধ করুন