বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > উপসর্গ থাকলে দুর্গাপুজোয় দেখা হবে না ঠাকুর, আর কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে, দেখুন
শুধুমাত্র কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে উৎসব পালন করা যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
শুধুমাত্র কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে উৎসব পালন করা যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

উপসর্গ থাকলে দুর্গাপুজোয় দেখা হবে না ঠাকুর, আর কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে, দেখুন

  • নিউ নর্ম্যাল মেনে উৎসব পালনের জন্য আগেভাগেই স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারি করা হয়েছে।

মাস্ক পরে নেই? ঢুকতেই দেওয়া হবে না মণ্ডপে। উপসর্গ আছে? তাহলেও মণ্ডপে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে না। দেশজুড়ে আসন্ন উৎসবের মরশুমের এরকমই একাধিক নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

মেরেকেটে আর তিন সপ্তাহ বাকি দুর্গাপুজোর। তারপরই ঢাকে পড়বে কাঠি। শুরু হবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। তাছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হবে বিভিন্ন উৎসব। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে যা বড়সড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির। তাই নিউ নর্ম্যাল মেনে উৎসব পালনের জন্য আগেভাগেই স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারি করা হয়েছে। 

একনজরে দেখে নিন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম -

১) কনটেনমেন্ট জোনে কোনওরকম অনুষ্ঠান হবে না। 

২) ৬৫ বয়সের উর্ধ্বে প্রবীণ, কোমর্বিডিটি থাকা মানুষ, অন্ত্বঃস্বত্ত্বা মহিলা এবং ১০ বছরের কম শিশুদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই পরামর্শ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজ্য হবে।

৩) বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক বা মুখাবরণী ব্যবহার করতে হবে। 

৪) থুতু ফেলার উপর নিষেধাজ্ঞা থাকছে। 

৫) আরোগ্য সেতু অ্যাপ ডাউনলোড এবং তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৬) ধর্মীয় স্থানে অনুষ্ঠান, মিছিল, শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শো, মেলা-সহ যাবতীয় অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আগেভাগে পরিকল্পনা করতে হবে। তাতে শামিল থাকবে অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা, বাজারের কমিটি-সহ সবপক্ষ। অর্থাৎ পুজোর সময় মেলা বসার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তা অবশ্যই বিধিনিষেধ মেনে করতে হবে। 

৭) শুধুমাত্র কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে উৎসব পালন করা যাবে। অনুষ্ঠানের যে উদ্যোক্তা বা কর্মী বা দর্শকদের বাড়ি কনটেনমেন্ট জোনে, তাঁদের অনুমতি দেওয়া হবে না। যাঁরা কনটেনমেন্ট জোনের কাছে থাকেন, তাঁদের বাড়িতেই উৎসব পালনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৮) সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে চলার জন্য অনুষ্ঠানের জায়গায় উপযুক্ত পরিমাণ ফাঁকা জায়গা রাখতে হবে। মানুষের দাঁড়ানোর জায়গা চিহ্নিত করে রাখতে হবে। অর্থাৎ কেন্দ্রের নির্দেশিকা মতো, পুজোর মণ্ডপে এবার আর হুড়োহুড়ি সুযোগই নেই। নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়াতে হবে। যদিও পুজোর সময় ভিড় নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

৯) অনুষ্ঠানের জায়গায় ঢোকা ও বেরনোর একাধিক গেট থাকতে হবে। স্বাভাবিক ক্রস-ভেন্টিলেশনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রবেশের পথে বাধ্যতামূলকভাবে থার্মাল স্ক্রিনিং করতে হবে। থাকতে হবে হাত ধোয়ার সামগ্রী (হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মতো)।

১০) যে কর্মী বা দর্শকদের উপসর্গ থাকবে না, তাঁদেরই শুধু অনুষ্ঠান স্থলের (অবশ্যই পুজো মণ্ডপ) ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। যাঁদের উপসর্গ থাকবে, তাঁদের ভদ্রভাবে ঢুকতে দিতে নিষেধ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। একইসঙ্গে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শও দিতে হবে।

১১) মাস্ক পরে থাকলে তবেই ঢুকতে দেওয়া হবে। সারাক্ষণ মাস্ক পরে থাকতে হবে।

বন্ধ করুন