বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ইউক্রেনের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে মাক্রোঁ-পুতিন বাকযুদ্ধ
ইউক্রেনের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে মাক্রোঁ-পুতিন বাকযুদ্ধ। ছবি ডয়চে ভেলে

ইউক্রেনের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে মাক্রোঁ-পুতিন বাকযুদ্ধ

  • আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার অংশগ্রহণে একটি ‘অরাজনৈতিক মতবিনিময়ের' আহ্বানও জানিয়েছে রাশিয়া৷ অন্যদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে জানানো হয়েছে রুশ সৈন্যরা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণে থাকায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে৷

ইউক্রেনের ঝাপোরিজঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে রোববার রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট৷ তবে সমাধানের বদলে পারস্পরিক দোষারোপেই শেষ হয় আলোচনা৷ ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের সেবনাবাহিনীকে ঝাপোরিজঝিয়া সংকটের জন্য দায়ী করেন৷ অন্যদিকে এমানুয়েল মাক্রোঁ রুশ সেনাদের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তার হুমকি বলে মন্তব্য করেন৷

ইউরোপের সর্ববৃহৎ পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে৷ রাশিয়া এবং ইউক্রেন ঝাপোরিজঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশেপাশে বোমাবর্ষণের জন্য একে অপরকে দায়ী করে আসছে৷ কিন্তু বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকায় যে কোনও মুহূর্তে পারমাণবিক বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷

কীভাবে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, এ নিয়ে কথা বলেন মাক্রোঁ এবং পুতিন৷ কিন্তু বৈঠক নিয়ে দুই পক্ষের প্রকাশ করা বিবৃতিতে পাওয়া যায় দুরকম সুর৷ ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তেজষ্ক্রিয় বর্জ্য সংরক্ষণাগার-সহ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনায় ইউক্রেনের নিয়মিত হামলার ফলে বিপর্যয়ের আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছে রাশিয়া৷'

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার অংশগ্রহণে একটি ‘অরাজনৈতিক মতবিনিময়ের' আহ্বানও জানিয়েছে রাশিয়া৷ অন্যদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে জানানো হয়েছে রুশ সৈন্যরা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণে থাকায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে৷ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তিনি (মাক্রোঁ) রুশ সৈন্যদের ভারি ও হালকা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সেখান থেকে (ঝাপোরিজঝিয়া) সরে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন৷' এদিকে বিপর্যয় এড়াতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা ঝাপোরিজঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারপাশ জুড়ে একটি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে৷

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনটি ডয়চে ভেলে থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবেদনই তুলে ধরা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কোনও প্রতিনিধি এই প্রতিবেদন লেখেননি।)

বন্ধ করুন