বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর, বাড়ল ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার মেয়াদ
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পেনশনভোগীদের ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার মেয়াদ বাড়ানো হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পেনশনভোগীদের ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার মেয়াদ বাড়ানো হল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর, বাড়ল ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার মেয়াদ

  • করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পেনশনভোগীদের ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার মেয়াদ বাড়ানো হল। আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘জীবন প্রমাণপত্র’ বা ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দিতে পারবেন পেনশনভোগীরা। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের দাবি, সেই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ৩৫ লাখ পেনশনভোগী লাভবান হবেন। 

শনিবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের মধ্যে প্রবীণদের ঝুঁকির মাত্রা বেশি। সেই পরিস্থিতিতে ‘জীবন প্রমাণপত্র’ বা ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও)। ইপিএস ১৯৯৫-এর আওতায় পেনশন নেওয়া এবং ওই সময় পর্যন্ত যে পেনশনভোগীরা ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়ার কথা, তাঁরা এই বর্ধিত সময়সীমার সুবিধা পাবেন।

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বছরের যে কোনও সময় ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দিতে পারেন পেনশনভোগীরা। ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জারি করার এক বছর পর্যন্ত সেটির বৈধতা থাকে। এরকম পেনশনভোগীরা আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দিতে পারবেন। একইসঙ্গে মন্ত্রকের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যে পেনশনভোগীরা আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দিতে পারবেন না, তাঁদের পেনশন চালু থাকবে।

মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশজুড়ে ৩.৬৫ লাখ ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’, ১.৩৬ লাখ ডাকঘর-সহ বিভিন্ন উপায়ে সেই ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দেওয়া যাবে।locator.csccloud.in লিঙ্ক ব্যবহার করে ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ চিহ্নিত করতে পারবেন পেনশনভোগীরা। এই লিঙ্কে  ক্লিক করে ডাকঘরের মাধ্যমে বাড়ি বা অন্য কোথাও থেকে জমা দেওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

বন্ধ করুন