বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > হিউম্য়ান অ্য়ানথ্রাক্সকে নির্মূল করতে দেশে প্রথম বিশেষ সমীক্ষা ওড়িশার কোরাপুটে
হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সের প্রকোপ ওড়িশার কোরাপুটে (প্রতীকী ছবি)
হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সের প্রকোপ ওড়িশার কোরাপুটে (প্রতীকী ছবি)

হিউম্য়ান অ্য়ানথ্রাক্সকে নির্মূল করতে দেশে প্রথম বিশেষ সমীক্ষা ওড়িশার কোরাপুটে

  • ওড়িশার কোরাপুট জেলাকে এই হিউম্যান অ্যানথ্রাক্স রোগের ভরকেন্দ্র বলা হয়। ওড়িশার ৩০টি জেলার মধ্যে ১৯টি জেলায় স্থানীয়ভাবে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

২০২৪ সালের মধ্যে ওড়িশার উপজাতি অধ্যুষিত এলাকা থেকে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সকে নির্মূল করার টার্গেট। এব্য়াপারে কোরাপুট জেলার ১৪টি ব্লকে সমীক্ষা শুরু করেছে ভুবনেশ্বরের Regional Medical Research Centre। পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে অ্যানাথ্রাক্সের সংক্রমণ এড়াতে এই বিশেষ সমীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বছরের শেষদিকে এই সমীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত ওড়িশার কোরাপুট জেলাকে এই হিউম্যান অ্যানথ্রাক্স রোগের ভরকেন্দ্র বলা হয়। ওড়িশার ৩০টি জেলার মধ্যে ১৯টি জেলায় স্থানীয়ভাবে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। তবে কোরাপুট, রায়গড়া, মালকানগিরি ও সুন্দরগড়ে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সের প্রকোপ দেখা যায়।

এদিকে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সে প্রায় ১২০৮জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৩৬জনের। অন্যদিকে গত ৬ বছরে শুধু কোরাপুটেই প্রায় ৩০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে মারা গিয়েছেন ১০জন। এদিকে চিকিৎসকদের মতে, এই রোগ ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। এরপর অন্ত্র ও ত্বকও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই রোগে। তবে দ্রুত রোগ ধরা পড়লে নিরাময়ের সম্ভাবনা রয়েছে। পশু থেকে মানুষের মধ্যে এই রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। Regional Medical Research Centre এর বিজ্ঞানী দেবদত্ত ভট্টাচার্য বলেন, বেসলাইন স্টাডি করা হয়েছে। হিউম্য়ান অ্যানথ্রাক্স নির্মূল করার ক্ষেত্রে কোন ফ্যাক্টরটা কার্যকরী হবে সেটাই দেখা হচ্ছে। আমরা এটি দেখছি যে যদি পশুদের নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে পারি তবে এই রোগকে আমরা অনেকটাই দূরে রাখতে পারব। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রে এই অ্য়ানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা গেলেও এই ধরণের সমীক্ষা এই প্রথম।

 

২০২৪ সালের মধ্যে ওড়িশার উপজাতি অধ্যুষিত এলাকা থেকে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সকে নির্মূল করার টার্গেট। এব্য়াপারে কোরাপুট জেলার ১৪টি ব্লকে সমীক্ষা শুরু করেছে ভুবনেশ্বরের Regional Medical Research Centre। পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে অ্যানাথ্রাক্সের সংক্রমণ এড়াতে এই বিশেষ সমীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বছরের শেষদিকে এই সমীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত ওড়িশার কোরাপুট জেলাকে এই হিউম্যান অ্যানথ্রাক্স রোগের ভরকেন্দ্র বলা হয়। ওড়িশার ৩০টি জেলার মধ্যে ১৯টি জেলায় স্থানীয়ভাবে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। তবে কোরাপুট, রায়গড়া, মালকানগিরি ও সুন্দরগড়ে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সের প্রকোপ দেখা যায়।

এদিকে হিউম্যান অ্যানথ্রাক্সে প্রায় ১২০৮জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৩৬জনের। অন্যদিকে গত ৬ বছরে শুধু কোরাপুটেই প্রায় ৩০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে মারা গিয়েছেন ১০জন। এদিকে চিকিৎসকদের মতে এই রোগ ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। এরপর অন্ত্র ও ত্বকও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই রোগে। তবে দ্রুত রোগ ধরা পড়লে নিরাময়ের সম্ভাবনা রয়েছে। পশু থেকে মানুষের মধ্যে এই রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। Regional Medical Research Centre এর বিজ্ঞানী দেবদত্ত ভট্টাচার্য বলেন, বেসলাইন স্টাডি করা হয়েছে। হিউম্য়ান অ্যানথ্রাক্স নির্মূল করার ক্ষেত্রে কোন ফ্যাক্টরটা কার্যকরী হবে সেটাই দেখা হচ্ছে। আমরা এটি দেখছি যে যদি পশুদের নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে পারি তবে এই রোগকে আমরা অনেকটাই দূরে রাখতে পারব। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রে এই অ্য়ানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা গেলেও এই ধরণের সমীক্ষা এই প্রথ

|#+|

 

 

 

 

 

 

ট 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন