প্ররোচনামূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠল ইউপির প্রাক্তন রাজ্যপাল আজিজ কুরেশির বিরুদ্ধে।
প্ররোচনামূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠল ইউপির প্রাক্তন রাজ্যপাল আজিজ কুরেশির বিরুদ্ধে।

উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ উঠল উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে

  • কুরেশি বলেছিলেন, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কোনও অধিকার নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের, কারণ তা অসাংবিধানিক।

‘উস্কানিমূলক ভাষণ’ দেওয়ার জন্য অভিযোগ দায়ের হল উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল আজিজ কুরেশির বিরুদ্ধে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি সিএএ-বিরোধী প্রতিবাদসভায় তিনি এই বক্তৃতা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

মোরাদাবাদের এসপি (নগর) অমিত কুমার আনন্দ জানিয়েছেন, ‘গত ২২ ফেব্রুয়ারি মোরাদাবাদের ইদগাহ ময়দানে এক সিএএ-বিরোধী সভায় অংশগ্রহণ করেন উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল আজিজ কুরেশি। সেকানে তিনি ভাষণ দেন। জনতার আবেগে উস্কানি দিয়ে প্ররোচনামূলক ভাষণ দেওয়ার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৩,১৪৫, ১৪৯ ও ১৮৮ ধারায় গলশহিদ থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।’

এর আগে কুরেশি বলেছিলেন, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কোনও অধিকার নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের, কারণ তা অসাংবিধানিক।

২২ ফেব্রুয়ারির জনসভায় তিনি বলেন, ‘দেশভাগের পরে হিন্দুরাষ্ট্র নীতির পরিপন্থী ছিলেন মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরু। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কোনও অধিকার নেই কারণ তা অসাংবিধানিক। তাঁরা বিভাজন নীতি পালন করছেন এবং বন্দি শিবির তৈরি করছেন।’

সভায় তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদী ও শাহকে ইতিহাসে নজর রাখতে বলছি। ওঁরা দেখতে পাবেন, গত ১,২০০ বছরে মুলিমরা দেশের জন্য কত বলিদান দিয়েছেন। ১৮৫৭ সালে প্রথম স্বাধীনতার যুদ্ধে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন অসংখ্য মুসলিম।’

উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে (সিএএ) পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, শিখ, জৈন, পার্সি, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার নিদান থাকলেও মুসলিমদের ক্ষেত্রে এই সুবিধার উল্লেখ নেই। এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছেন দেশের মুসলিম সম্প্রদায়।

বন্ধ করুন