বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চার মাছের দাম এক লাখ টাকা, শেষপর্যন্ত ৫০,০০০ টাকায় বিক্রি!
চার মাছের দাম এক লাখ টাকা, শেষপর্যন্ত ৫০,০০০ টাকায় বিক্রি! (ছবিটি প্রতীকী)
চার মাছের দাম এক লাখ টাকা, শেষপর্যন্ত ৫০,০০০ টাকায় বিক্রি! (ছবিটি প্রতীকী)

চার মাছের দাম এক লাখ টাকা, শেষপর্যন্ত ৫০,০০০ টাকায় বিক্রি!

বাগাড়ের ওজন ৩০ কেজি ও তিনটি বোয়ালের ওজন ১০ থেকে ১২ কেজির মধ্যে।

‌একটি বাগাড় মাছ। আর তিনটি বোয়াল মাছ। সবমিলিয়ে মাছ বিক্রেতা দাম হাঁকেন এক লাখ টাকা। এই দাম হেঁকে রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন মাছ বিক্রেতা। এত বড় মাছ দেখে কেনাবেচার ধুম পড়ে যায়। তবে যে দাম হেঁকেছিলেন সেই দাম পাননি বিক্রেতা। শেষ পর্যন্ত অর্ধেক দামেই মাছগুলি বেচে দিতে হয়। ঘটনাটির ঘটেছে বাংলাদেশের নাটোরে চালপট্টিতে।

গত বুধবার রাতে নাটোরের চালপট্টি যেন হয়ে উঠল মাছের বাজার। একটি বাগাড় ও তিনটি বোয়াল নিয়ে বাজারে চলে আসেন দুজন। বাগাড়ের ওজন ৩০ কেজি ও তিনটি বোয়ালের ওজন ১০ থেকে ১২ কেজির মধ্যে। এই তিনটি মাছ দেখতে প্রচুর মানুষ ভিড় জমায় নাটোরের বাজারে। গাইবান্ধা থেকে আসা মাছ বিক্রেতা বাগাড়ের দাম হেঁকে বসেন ৪৮ হাজার টাকা। অন্যদিকে তিনটি বোয়ালের দাম হাঁকেন ৫২ হাজার টাকা। দাম হাঁকতেই কেনাকাটা ধুম পড়ে যায় বাজারে।

তবে মাছ বিক্রেতা জানিয়েছেন, 'চাল ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি করে ভালো লাভ করার আশা ছিল। তবে লাখ টাকার মাছ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছি। তবে সব মাছ বিক্রি করতে পেরেছি। তাই এখন দুশ্চিন্তা মুক্ত লাগছে।' মাছ বিক্রেতা জানান, গাইবান্ধার যমুনা নদীতে জেলেদের জালে মাছগুলি ধরা পড়েছিল। মাছগুলি কিনে তাঁরা রাজশাহী নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু রাস্তা খারাপ থাকার জন্য বেগুড়া থেকে নাটোরে আসতেই রাত হয়ে যায়। এইজন্য মাঝপথে নাটোরে নেমে পড়েন। মাছ কিনতে পেরে খুশি অনেকেই। এক ক্রেতা জানান, 'অনেক সস্তায় পেয়ে গেলাম। তাই বোয়ালের কিছুটা অংশ কিনেছি।'

বন্ধ করুন