বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > গান্ধীজির পছন্দের 'অ্যাবাইড উইথ মি' ফের বাদ পড়ল 'বিটিং দ্য রিট্রিট' থেকে
বিটিং দ্যা রিট্রিট-এর দৃশ্য । ছবি সৌজন্য রয়টার্স।   (REUTERS)

গান্ধীজির পছন্দের 'অ্যাবাইড উইথ মি' ফের বাদ পড়ল 'বিটিং দ্য রিট্রিট' থেকে

  • ১৯৫০ সাল থেকে এই অনুষ্ঠানে 'অ্যাবাইড উইথ মি'-এর সুর উঠে আসে। এরপর প্রথমবার তা শোনা যায়নি ২০২০ সালে। এরপর ২০২২ সালেও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এই স্তব।

মহাত্মা গান্ধীর পছন্দের 'অ্যাবাইড উইথ মি'-এর সুর এবার শোনা যাবে না 'বিটিং দ্য রিট্রিট' অনুষ্ঠানে। উল্লেখ্য, ২৯ জানুয়ারি গান্ধীজির মৃত্যুবার্ষিকীর দিনের আগে, বিটিং দ্য রিট্রিট অনুষ্ঠানের পর 'অ্যাবাইড উইথ মি' স্তবের সুর শোনা যেত এতকাল। তবে ২০২২ সালে তা শোনা যাবে না। এর আগে ২০২০ সালে এই সুরধ্বনি বাদ দেওয়া নিয়ে বিস্তর রাজনৈতিক তর্ক বিতর্ক চড়েছিল। এরপর ২০২২ সালে ফের একবার এই ঘটনা।

উল্লেখ্য, 'বিটিং দ্য রিট্রিট' অনুষ্ঠানের জন্য যে সুরগুলি বেছে নেওয়া হয়েছে, তার তালিকা প্রকাশিত করা হয়। সেই তালিকায় নেই 'অ্যাবাইড উইথ মি' এর উল্লেখ। ১৯৫০ সাল থেকে এই অনুষ্ঠানে 'অ্যাবাইড উইথ মি'-এর সুর উঠে আসে। এরপর প্রথমবার তা শোনা যায়নি ২০২০ সালে। এরপর ২০২২ সালেও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এই স্তব। স্কটিশ কবি হেনরি ফ্রান্সিস লায়াতের লেখা ও উইলিয়াম হেনরি মঙ্কের সুরের এই স্তব কেন বাতিলের ঘটনা ইতিমধ্যেই শিরোনাম কাড়তে শুরু করে দিয়েছে। উল্লেখ্যস বিটিং দ্য রিট্রিট অনুষ্ঠানে বীর সৈনিক, সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সেরস, এয়ারফোর্স ব্যান্ড সহ একাধিক ব্যান্ড অংশ নিতে চলেছে। অনুষ্ঠানের শেষে 'সারে জাঁহান সে আচ্ছা'র সুর থাকবে। দেশের সেনা অপারেশনের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল বিনোদ ভাটিয়া জানিয়েছেন, 'অ্যাবাইড উইথ মি-এর সঙ্গে সেনা জওয়ানরা একাত্ম হতে পারেন। কারণ এটি সেনা সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত।' উল্লেখ্য, কেন এই গান বিটিং দ্য রিট্রিট থেকে সরিয়ে দেওয়া হল, তার উত্তর এখনও পর্যন্ত আসেনি প্রতিরক্ষা দফতর থেকে।

উল্লেখ্য, এই বছরের বিটিং দ্য রিট্রিটে থাকছে 'কদম , কদম বাড়ায়ে যা..', 'অ্যায় মেরে ওয়াতন কে লোগো , "হিন্দ কি সেনা'র মতো গানের সুর। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি ভবনের আলোকোজ্জ্বল সমারোহকে কেন্দ্র করে এই গোটা বিটিং দ্য রিট্রিট অনুষ্ঠান চলে। এই বছরের বিটিং দ্যা রিট্রিট অনুষ্ঠানে আলাদা করে থাকছে ড্রোন ঘিরে বিশেষ সমারোহ। বোটল্যাব ডায়নামিক্স নামে এক স্টার্ট আপ সংস্থা এই বিশেষ ড্রোন সমারোহের দায়িত্বে থাকছে। উল্লেখ্য, শনিবার ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের সমারোহ সম্পর্কেও তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা। সেখানে ৯০ মিনিটে ভারতীয় সেনার প্যারেডে অংশগ্রহণ নিয়ে সেনা জানিয়েছে, সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠানে। সাধারণত এই প্যারেডের অনুষ্ঠান সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয়। তবে এবার দিল্লির আবহাওয়ার দিকে তাকিয়ে সময়সূচিতে খানিকটা পরিবর্তন করা হয়েছে। সঙ্গে থাকবে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ ফ্লাইপাস্ট। এছাড়াও থাকবে ভারতীয় সেনার চোখ ধাঁধানো অস্ত্র সম্ভারের প্রদর্শনী। থাকবে বিভিন্ন রাজ্যের ২৫ টি ট্যাবলো। সেনার বিভিন্ন বিভাগের ১৬ টি মার্চ পাস্ট নজর কাড়বে দর্শকদের। উল্লেখ্য, প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে একমাত্র তাঁরাই উপস্থিত থাকতে পারবেন, যাঁরা দু'বার ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।

 

বন্ধ করুন