বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > গোয়া:ভোট রাজনীতির নয়া নাম অমিত পালেকর! আপ-র মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কাড়ছেন নজর
অমিত পালেকর। ছবি সৌজন্য এএনআই।  (ANI)
অমিত পালেকর। ছবি সৌজন্য এএনআই।  (ANI)

গোয়া:ভোট রাজনীতির নয়া নাম অমিত পালেকর! আপ-র মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কাড়ছেন নজর

  • ভোট রাজনীতির ময়দানে তিনি একেবারে নতুন মুখ। এর আগে, অমিত পালেকররে সবচেয়ে বড় পরিচিতি ছিল আইনজীবী হিসাবে।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল আগেই জানিয়েছিলেন যে, গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দু ভান্ডারি সমাজ থেকে কাউকে তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করবেন। সেই জায়গা থেকে বারবার আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে জল্পনায় উঠে এসেছে অমিত পালেকরের নাম। আর সেই জল্পনায় সিলমোহর লাগিয়ে এদিন কেজরিওয়াল জানিয়ে দিলেন যে আম আদমি পার্টির তরফে গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হবেন অমিত পালেকর।

তবে শুধুই কি ভান্ডারা ভোটব্যাঙ্কে নজর রেখে অমিতকে বেছে নিয়েছেম অরবিন্দ? ভোট সমীকরণের হিসাব কিন্ত আরও অন্য কথা বলছে। ২০২২ বিধানসভা নির্বাচনের আগে কখনওই ভোট রাজনীতির অংশ হননি অমিত পালেকর। গত ২০২১ সালে তিনি আম আদমি পার্টিতে যোগ দেন। তবে ভোট রাজনীতির ময়দানে তিনি একেবারে নতুন মুখ। এর আগে, অমিত পালেকররে সবচেয়ে বড় পরিচিতি ছিল আইনজীবী হিসাবে। গোয়ার পানাজি থেকে বহু দূর্রে মার্সেস গ্রামের বাসিন্দা অমিত পালেকর। তিনি এবারের ভোটে সান্টা ক্রুজ অসন থেকে লড়ছেন। উল্লেখ্য এই সান্তাক্রুজ আসনের অন্তর্গত রয়েছে পালেকরের গ্রাম মার্সেস। একজন শিক্ষিত প্রার্থীকেই যে শুধু মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী করতে চেয়েছিল আপ শিবির ,তা নয়। তার সঙ্গে অনগ্রসর শ্রেণি ভান্ডারা সম্প্রদায়ের সংযোগও অমিতের প্রার্থীপদের ক্ষেত্রে একটি বড় ফ্যাক্টর ছিল। এদিকে, কয়েকদিন আগে পর্যন্তও রাজনীতি থেকে দূরে গোয়ার একাধিক হাইভোল্টেজ ইস্য নিয়ে আইনি লড়াই লড়েন পালেকর। তারমধ্যে ২০১০ সালের নাদিয়া টোরাজোর আত্মহত্যায় প্রাক্তন মন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পশেওর ভূমিকা সহ একাধিক মামলা লড়েছেন তিনি।

এদিন প্রার্থী পদ নিয়ে মুখ খুলে, অমিত পালেকর জানিয়েছেন, 'গত পাঁচ বছরে নোংরা রাজনীতি দেখেছেন আপনারা। শেষ দুই মাসে এটি এতটাই নিচে নেমে যায়, যে গোয়াবাসীরা লজ্জা পেয়েছেন। আমরা রাজনীতিতে এসেছি এটা প্লাটাতে। আর চাইছি একটা সুযোগ যাতে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি।' একই সঙ্গে দুর্নীতি মুক্ত গোয়া নিয়ে সোচ্চার হয়ে অমিত পালেকর বলেন,' আমি একাধিক স্ক্যামের শিকার ছিলাম। রাজ্যের স্থানাধিকারী হয়েও আমারা বাবার অর্থাভাবের জেরে আমি সরকারি চাকরি পাইনি। আর একদিন ঠিক করেছিলাম আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ব। আমি এই সুযোগ দেওয়ার জন্য অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ধন্যবাদ জানাই। '

 

 

 

বন্ধ করুন