বাড়ি > ঘরে বাইরে > মাটির নীচে ২৫০ কেজি সোনা, জামশেদপুরের কাছে স্বর্ণখনির সন্ধান পেল জিএসআই
ঝাড়খণ্ডের ভিতর দ্বারী গ্রামে ভূগর্ভে প্রায় ২৫০ কেজি স্বর্ণভাণ্ডারের হদিশ পেয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।
ঝাড়খণ্ডের ভিতর দ্বারী গ্রামে ভূগর্ভে প্রায় ২৫০ কেজি স্বর্ণভাণ্ডারের হদিশ পেয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।

মাটির নীচে ২৫০ কেজি সোনা, জামশেদপুরের কাছে স্বর্ণখনির সন্ধান পেল জিএসআই

  • জামশেদপুর শহর থেকে ২০ কিমি দূরের ভিতর দ্বারী-হাকেগড়া অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ প্রায় ২৫০ কেজি সোনার মজুত খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

সোনার খনির সন্ধান পাওয়া গেল ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলায়। ভিতর দ্বারী গ্রামে ভূগর্ভে প্রায় ২৫০ কেজি স্বর্ণভাণ্ডারের হদিশ পেয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।

গত ৩ জুন ঝাড়খণ্ড সরকারের কাছে জমা দেওয়া চূড়ান্ত রিপোর্টে জিএসআই জানিয়েছে, ‘এই আবিষ্কারের ফলে এই অঞ্চলে সোনার খনিগুলির বরাত দেওয়ার জন্য দরপত্র আহ্বান করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা খুব তাড়াতাড়ি সম্পাদন করা হবে।’

রিপোর্টে বলা হয়েছে, জামশেদপুর শহর থেকে মাত্র ২০ কিমি দূরের ভিতর দ্বারী-হাকেগড়া অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ প্রায় ২৫০ কেজি সোনার মজুত খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। প্রকল্প চলাকালীন ৬০০ মিটার ব্যবধানে ৬টি বোরহোল ড্রিল করা হয়েছে। জিএসআই জানিয়েছে, ভূস্তরের প্রায় ১৫০ মিটার গভীরে মজুত রয়েছে স্বর্ণ আকর। 

শনিবার রিপোর্টটি রাজ্যের খনি সচিব আবুবকর সিদ্দিকির হাতে তুলে দেন জিএসআই ঝাড়খণ্ড শাখার ডেপুটি ডিরেক্ট জেনারেল জনার্দন প্রসাদ। উপস্থিত ছিলেন জিএসআই-এর ডিরেক্টর (টি.সি.) এ কে শর্মা, প্রোজেক্ট ডিরেক্টর জিএসআই এসইউ: ঝাড়খণ্ড পঙ্কজ কুমার এবং ডিরেক্টর (মাইনস) ফইজ আক আহমেদ মুমতাজ প্রমুখ। 

গত ২০১৩-২০১৪ সাল থেকে পঙ্কজ কুমারের জিএসআই-এর প্রতিনিধিদল ভিতর দ্বারী এলাকায় জরিপ এবং নমুনা সংগ্রহের কাজ চালায়। এর পর ২০১৭-২০১৮ ও ২০১৮-২০১৯ সালে অঞ্চলে ড্রিলিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ভূতাত্ত্বিক অভিষেক দাস ও নন্দু খালখো। 

এর আগে ঝাড়খণ্ডের ভিতর দ্বারী-গোটিগড়া-হাকেগড়া অঞ্চলে ২০০৯-২০১০ সালে প্রথম সোনার আকরের ফোঁজ পাওয়ার পর থেকে সবিস্তারে জরিপ ও নমুনা সংগ্রহের কাজ চালায় জিএসআই। প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন সংস্থার বর্তমান ডিরেক্টর, সে সময়ে সিনিয়র জিওলজিস্ট পঙ্কজ কুমার। 

বন্ধ করুন