কৃষি খাতে নেওয়া স্বল্পমেয়াদী ঋণ শোধ করার সময় পিছিয়ে ৩১ মে করল কেন্দ্রীয় সরকার।
কৃষি খাতে নেওয়া স্বল্পমেয়াদী ঋণ শোধ করার সময় পিছিয়ে ৩১ মে করল কেন্দ্রীয় সরকার।

করোনা সংকটের জেরে কৃষিঋণ শোধের সময়সীমা পিছোল সরকার

  • যে সমস্ত কৃষিজীবী ১ মার্চের পরে ঋণশোধ করতে পারেননি, তাঁদের ক্ষেত্রে কোনও জরিমানা ধার্য করা হবে না বলে জানিয়েছে সরকার।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ উদ্ভূত সংকটে কৃষি খাতে নেওয়া স্বল্পমেয়াদী ঋণ শোধ করার সময় পিছিয়ে ৩১ মে করল কেন্দ্রীয় সরকার। আগে এই ঋণ শোধ করার জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত চাষিদের সময় দিয়েছিল কেন্দ্র।

যে সমস্ত কৃষকের সময়মতো ঋণশোধ করার রেকর্ড রয়েছে, কেবল তাঁরাই কম সুদের হারে স্বল্পমেয়াদী কৃষিঋণ পেয়ে থাকেন। এই কারণে যে সমস্ত কৃষিজীবী ১ মার্চের পরে ঋণশোধ করতে পারেননি, তাঁদের ক্ষেত্রে কোনও জরিমানা ধার্য করা হবে না বলে জানিয়েছে সরকার।

গ্রাহক পণ্য ঋণে ১২%-১৪% সুদ ধরা হলেও কৃষিঋণের ক্ষেত্রে চাষিরা ৭% সুদের হারে ঋণ পান। এর মধ্য যে সমস্ত চাষি সময়মতো ঋণ শোধ করেন, তাঁদের সুদের হার কার্ষক্ষেত্রে কমে এসে দাঁড়ায় মাত্র ৪%তে।

সোমবার সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘মানুষের যাতায়াতের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানোর ফলে বহু কৃষক ব্যাঙ্কের শাখায় পৌঁছে স্বল্পমেয়াদী ঋণশোধের অর্থ জমা দিতে পারেননি। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞার জেরে কৃষি্জাত পণ্য বিক্রি করেত অসুবিধায় পড়ার ফলে অর্থ সংগ্রহে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন কৃষকরা।’

জানা গিয়েছে, যে সমস্ত কৃষিঋণের ঊর্ধ্বসীমা ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত, সেগুলিই এই বর্ধিত ঋণশোধ পর্বের আওতায় পড়বে।



বন্ধ করুন