বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্ত কি? করোনা মুক্তির ১ সপ্তাহ পর পরীক্ষার নিয়ম কর্নাাটকে
চোখ রাঙাচ্ছে ব্ল্যাক ফাংগাস (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
চোখ রাঙাচ্ছে ব্ল্যাক ফাংগাস (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্ত কি? করোনা মুক্তির ১ সপ্তাহ পর পরীক্ষার নিয়ম কর্নাাটকে

  • স্টেরয়েড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নয়া নিয়ম চালু করা হয়েছে।

‌করোনা আক্রান্ত রোগীরা যাতে ব্ল্যাক ফাংগাস বা মিউকরমাইকোসিসে আক্রান্ত না হন, তা নিশ্চিত করার জন্য এবার নতুন নিয়ম চালু করছে কর্নাটক সরকার।সরকারের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার এক সপ্তাহ পর সেই রোগী ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্ত কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।প্রয়োজনে এমআরআই করা হবে।

কর্নাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ কে সুধাকর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেন।বৈঠকে ব্ল্যাক ফাংগাস নিয়ে চিকিৎসায় কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠক শেষে কর্নাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা চিকিৎসা চলাকালীন প্রথম সপ্তাহে আক্রান্তদের যদি স্টেরয়েড দেওয়া হয়, তাহলে তাঁরা ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে সাধারণত দেখা যাচ্ছে। তাই করোনা আক্রান্তদের স্টেরয়েড প্রথম সপ্তাহে না দিয়ে দ্বিতীয় সপ্তাহে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্ল্যাক ফাংগাসের বিষয়টিকে নজরে রাখার জন্য ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডঃ এইচ এস সতীশের নেতৃত্বে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করে দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি মন্ত্রী জানিয়েছেন, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে যাঁরাই বাড়ি ফিরছেন, তাঁদের বলা হয়েছে, ব্ল্যাক ফাংগাস সংক্রমণের কোনও উপসর্গ দেখা দিলেই তাঁরা যেন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। করোনা আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠলেও যেন দুই সপ্তাহ চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন। একইসঙ্গে কর্নাটকের স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রাথমিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে দেখা যাচ্ছে, ছোটো হাসপাতালে বা হোম আইসোলেশনে যাঁরা রয়েছেন, সেসব জায়গায় এই ধরনের ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্তের ঘটনা বেশি ঘটছে।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত কর্নাটকে ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮১ জন। পাশাপাশি হোয়াইট ফাংগাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ জন। বেঙ্গালুরু থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে বেলাগাভিতে ২ জন হোয়াইট ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই ৯৫ জন ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্ত হয়েছেন।এই ৯৫ জনের মধ্যে ৭৫ জনের হয় ডায়বেটিস রয়েছে, নয়ত রোগীকে স্টেরয়েড দেওয়া হয়েছে।শুধু কর্নাটক নয়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, রাজস্থানেও এই ধরনের ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

ইতিমধ্যে কেন্দ্রের তরফে ব্ল্যাক ফাংগাস চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধ বিভিন্ন রাজ্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে।কেন্দ্রীয় সার ও রসায়ন মন্ত্রী সদানন্দ গৌড়া জানিয়েছেন, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত এলাকায় এমফোট্যারিসিন বি ওষুধ পাঠানো হয়েছে। ২৯,‌২৫০টি ওষুধ পাঠানো হয়েছে।এরমধ্যে কর্নাটক পেয়েছে ১,২১২টি।

বন্ধ করুন