বাড়ি > ঘরে বাইরে > বেহাল অর্থনীতি মেরামতির বদলে সংখ্যাগুরুর দাবিতে গুরুত্ব কেন্দ্রের, বলছেন রাজন
মোদী সরকারের শাসনের দ্বিতীয় পর্বে ক্ষতিগ্রস্ত জাতীয় অর্থনীতির মেরামতি না করে বিজেপির দৃষ্টিভঙ্গিতে থাকা জনপ্রিয় বিষয়গুলিকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই দাবি করেছেন প্রাক্তন আরবিআই গভর্নর রঘুরাম রাজন।
মোদী সরকারের শাসনের দ্বিতীয় পর্বে ক্ষতিগ্রস্ত জাতীয় অর্থনীতির মেরামতি না করে বিজেপির দৃষ্টিভঙ্গিতে থাকা জনপ্রিয় বিষয়গুলিকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই দাবি করেছেন প্রাক্তন আরবিআই গভর্নর রঘুরাম রাজন।

বেহাল অর্থনীতি মেরামতির বদলে সংখ্যাগুরুর দাবিতে গুরুত্ব কেন্দ্রের, বলছেন রাজন

  • ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির উৎপাদন ক্ষমতার মেরামতি ও সুরক্ষার স্বার্থে সরকারের আর্থিক ছাড় দেওয়া জরুরি।

করোনা সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির উৎপাদন ক্ষমতার মেরামতি ও সুরক্ষার স্বার্থে সরকারের আর্থিক ছাড় দেওয়া জরুরি। শনিবার এই মন্তব্য করলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন। 

প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেন্ডহেইম সেন্টার ফর ফাইন্যান্স আয়োজিত এক ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করে রাজন বলেন, ‘নিম্নগামী আর্থিক বৃদ্ধি, করুণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শাসনের প্রথম পর্বে সৃষ্টি হওয়া অলাভজনক সম্পত্তির বোঝা নিয়ে অতিমারী সংকটের মুখে পড়ে ভারত। মোদী সরকারের শাসনের দ্বিতীয় পর্বে ক্ষতিগ্রস্ত জাতীয় অর্থনীতির মেরামতি না করে বিজেপির দৃষ্টিভঙ্গিতে থাকা জনপ্রিয় বিষয়গুলিকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।’

রাজনের মতে, এই মুহূর্তে ত্রাণ ও সংরক্ষণ খাতে অর্থ বরাদ্দ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের তুলনায় কেন্দ্রীয় সরকার যে পদক্ষেপ করেছে, তা যথেষ্ট নয়। তাঁর দাবি, ভারতে অর্থনৈতিক প্রত্যাবর্তন অতি ধীরে হবে কারণ বিশ্বের অন্যান্য প্রগতিশীল শিল্পনির্ভর দেশের মতো অর্থনৈতিক সহায়তায় যথেষ্ট উদার হতে পারেনি কেন্দ্রীয় প্রশাসন।

ওয়েবিনারে রাজন বলেছেন, ‘বাড়ি মেরামত না করে প্রায় ৯ শতাংশ আর্থিক ঘাটতি, নিম্নগামী জিডিপি এবং মন্থর উন্নয়ন সমেত সংকটের মুখে পড়েছে ভারত। সেই সঙ্গে অতিমারী জনিত আর্থিক ক্ষতি এবং জিডিপি-র পতনের ফলে অতিরিক্ত ব্যয় না করলেও বড় জোর ১৩-১৫% বৃদ্ধি পেতে পারে জিডিপি। পাশাপাশি, আর্থিক মন্দা রুখতে ঋণ নেওয়ার উপরেই বিশেষ নির্ভরতা বাড়ছে সরকারের।’

বন্ধ করুন