করোনা মোকাবিলায় চাহিদা বেড়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের। ছবি: এএফপি। (AP)
করোনা মোকাবিলায় চাহিদা বেড়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের। ছবি: এএফপি। (AP)

স্যানিটাইজার বানাতে অতিরিক্ত খাদ্যশস্য থেকে ইথানল তৈরির অনুমোদন কেন্দ্রের

  • জাতীয় জৈব জ্বালানি নীতি অনুযায়ী, অতিরিক্ত ফসল উঠলে NBCC-এর অনুমোদনের ভিত্তিতে খাদ্যশস্য থেকে ইথানল তৈরি করা হয়।

করোনা মোকাবিলায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরিতে প্রয়োজনীয় ইথানল প্রস্তুত করতে ফুড কর্পোরেশনের গুদামে মজুত অতিরিক্ত চাল ব্যবহারে সায় দিল কেন্দ্র। এই রাসায়নিক পেট্রলেও মেশানো যাবে।

সোমবার জাতীয় জৈব জ্বালানি সমণ্বক কমিটির (NBCC) বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে নেতৃত্ব নেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

২০১৮ সালে গৃহীত জাতীয় জৈব জ্বালানি নীতি অনুযায়ী, অতিরিক্ত ফসল উঠলে NBCC-এর অনুমোদনের ভিত্তিতে খাদ্যশস্য থেকে ইথানল তৈরি করা হয়। কিছু দিন আগে ইথানল কাজে লাগিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানাতে চিনি উৎপাদক সংস্থা ও পরিশোধনাগারগুলিকে নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

সাধারণত পেট্রল বিপণন সংস্থাগুলিকে ইথানল সরবরাহ করে চিনিকলগুলি। তারই কিছুটা কাজে লাগিয়ে হাসপাতালের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নিয়েছে ওই সমস্ত সংস্থা। নামমাত্র অথবা বিনামূল্যে হাসপাতালে স্যানিটাইজার পৌঁছতে তাদের সাহায্য করছে শুল্ক দফতর এবং জাতীয় ওযুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার গুদামে বর্তমানে ৩০৯.৭০ কোটি টন চাল এবং ২৭৫.২০ কোটি টন গম মজুত রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী খাদ্যশস্য হিসেবে মোট ২১০ কোটি টন গুদামে মজুত রাখা দরকার। গত ১ এপ্রিলের হিসেবের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, তার চেয়ে অনেকই বেশি মজুত রয়েছে খাদ্যশস্য।

জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, লকডাউন চলাকালীন প্রতি মাসে ৮০ কোটি মানুষের জন্য ভরতুকিতে মাথাপিছু ৫ কেজি খাদ্যশস্য সরবরাহ করছে সরকার।

বন্ধ করুন