বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > জিএসটি আদায়ে গ্রাহকদের লটারির টোপ কেন্দ্রের
ছবিটি প্রতীকী। (REUTERS)

জিএসটি আদায়ে গ্রাহকদের লটারির টোপ কেন্দ্রের

  • অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত গ্রাহক পণ্য ও পরিষেবা কর-সহ বিলের কপি জমা দেবেন, তাঁরাই দৈনিক ও মাসিক লটারির জন্য বিবেচিত হবেন।বিলের কপি আপলোড করতে হবে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ মারফত। এই অ্যাপ গ্রাহকের ফোন নম্বর, বিল নম্বর ও বিক্রেতার জিএসটি নম্বর সংগ্রহ করবে।

জিএসটি আদায়ের জন্য এবার গ্রাহকদের লটারি টোপ দেওয়ার পরিকল্পনা করল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। মন্ত্রকের এক আধিকারিকের দাবি, কর ফাঁকি ঠেকাতে এই উদ্যোগ কাজে দেবে।

অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত গ্রাহক পণ্য ও পরিষেবা কর-সহ বিলের কপি জমা দেবেন, তাঁরাই দৈনিক ও মাসিক লটারির জন্য বিবেচিত হবেন।

বিলের কপি আপলোড করতে হবে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ মারফত, যেগুলি এর জন্যই তৈরি করা হচ্ছে। পোর্টালের এই অ্যাপ গ্রাহকের ফোন নম্বর, বিল নম্বর ও বিক্রেতার জিএসটি নম্বর নিজে থেকেই সংগ্রহ করে নেবে। এই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতেই লটারির বিজেতা নির্বাচিত হবেন। লটারির প্রস্তাব আধিকারিক স্তরে অনুমোদিত হওয়ার পরে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে পেশ করা হবে।

জানা গিয়েছে, গ্রাহকদের জিএসটি দিতে অনুপ্রাণিত করার জন্য মাসিক লটারির পুরস্কার অর্থের পরিমাণ উচ্চ স্তরেই রাখা হবে। তবে লটারিতে অংশগ্রহণের জন্য বিলের ন্যূনতম পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হবে। ইলেকট্রিক এবং পানীয় জলের বিল লটারির আঁওতার বাইরে রাখা হয়েছে। লটারির পুরস্কার অর্থ দেওয়া হবে গ্রাহক উন্নয়ন তহবিল থেকে।

ভ্যাট চালু হওয়ার পরে কর আদায়ের জন্য ২০১৫ সালে ‘বিল বানাও ইনাম পাও’ প্রকল্প চালু করেছিল দিল্লি সরকার। অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই নীতি অনুসরণ করেই জিএসটি আদায়ে এই নতুন পদক্ষেপ করতে চলেছে মোদী সরকার।

দিল্লি সরকারের চালু করা সেই প্রকল্পে বিলের করযোগ্য মোট অর্থের ৫ গুণ পর্যন্ত, সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল গ্রাহকদের। শর্ত ছিল, সওদা করতে হবে অন্তত ১০০ টাকার এবং তা শুধুমাত্র নথিভুক্ত বিক্রেতাদের থেকেই।

অর্থমন্ত্রক সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নতুন প্রকল্প চালু হলে বিক্রেতাদের জিএসটি জমা দেওয়ার উপরেও নজর রাখা সহজ হবে। এতে মুশকিলে পড়বেন অসাধু ব্যবসায়ীরা, জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রকের এক আধিকারিক।

বন্ধ করুন