বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চলে গেলেন গৌরী–আম্মা, কেরল রাজনীতিতে শেষ হল ঐতিহাসিক অধ্যায়ের
পুরো নাম ছিল— কে আর গৌরী আম্মা। ছবি সৌজন্য–এএনআই।
পুরো নাম ছিল— কে আর গৌরী আম্মা। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

চলে গেলেন গৌরী–আম্মা, কেরল রাজনীতিতে শেষ হল ঐতিহাসিক অধ্যায়ের

  • পুরো নাম ছিল— কে আর গৌরী আম্মা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০২ বছর। সিপিআইএমের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি।

চলে গেলেন শতায়ু বাম–নেত্রী। যাঁকে আম্মা বা গৌরী–আম্মা বলেই চিনতেন সকলে। তিনি ছিলেন কেরলের ইএস নাম্বুদিরিপাদ সরকারের শেষ জীবিত সদস্য। যাঁর প্রয়াণে শেষ হয়ে গেল ভারত তথা কেরল কমিউনিস্ট আন্দোলনের ঐতিহাসিক অধ্যায়। পুরো নাম ছিল— কে আর গৌরী আম্মা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০২ বছর। সিপিআইএমের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি।

তবে তিনি কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। বয়সজনিত কারণেই প্রয়াত হয়েছেন এই নেত্রী। ১৯৫৭ সালে ইএস নাম্বুদিরিপাদ সরকারের আমলে তিনি ছিলেন রেভিনিউ মিনিস্টার। রাজ্যের ভূমি সংস্কারে তিনিই ছিলেন পুরোধা। ১৯৮০ সালে ইকে নায়ানার সরকারের তিনি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তখনই তাঁর নেতৃত্বে প্রথম আইটি পার্ক হয় কেরলে। আবার এই নেত্রীকেই ১৯৯৪ সালে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তখন বলা হয়েছিল দল বিরোধী কাজ করেছেন তিনি।

পি কৃষ্ণ পিল্লাইয়ের হাত ধরে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। গৌরী আম্মা ১১ বার কেরল বিধানসভায় নির্বাচিত হন। আলাপুঝার আরুর কেন্দ্র থেকে ৯ বার নির্বাচিত হন। দীর্ঘ আট দশকের রাজনৈতিক জীবনে চারবার মন্ত্রী হয়েছিলেন। তবে দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার পর তিনি নিজে একটি দল গঠন করেছিলেন। তার নাম জনতাইপাট্য সমরক্ষণা সমিতি। তারপর কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে দীর্ঘদিন চলেছিলেন। পরে আবার ইউডিএফ–এ যোগ দেন।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান এবং মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তবে তিনি এবারের নির্বাচনে বামেদের জয় দেখে গিয়েছেন। ১৯১৯ সালের ১৪ জুলাই আলাপুজার পাট্টানাকাদ গ্রামে তাঁর জন্ম। সেন্ট টেরেজা কলেজ থেকে তিনি স্নাতক হন। আইন নিয়ে পড়াশোনা করে তিনি আদালতে আইনজীবী হিসাবে চর্চাও করেন।

বন্ধ করুন