বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'মাংস ঝুলতে দেখলে হিন্দুরা মনে আঘাত পান', গুজরাতে একের পর এক শহরে আজব নিষেধাজ্ঞা
প্রতীকী ছবি (ফাইল: হিন্দুস্তান টাইমস)
প্রতীকী ছবি (ফাইল: হিন্দুস্তান টাইমস)

'মাংস ঝুলতে দেখলে হিন্দুরা মনে আঘাত পান', গুজরাতে একের পর এক শহরে আজব নিষেধাজ্ঞা

  • জারি করা আদেশে বলা হয়েছে যে রাস্তায় আমিষ খাবার হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে।

গুজরাতের ভাদোদরা এবং রাজকোটে দোকানদার এবং হকারদের ডিম সহ আমিষ খাবার ঢেকে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গুজরাতের ভাদোদরা এবং রাজকোটের মিউনিসিপ্যাল​কর্পোরেশন, বিজেপি দ্বারা শাসিত। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে আমিষ খাবার খোলা অবস্থায় থাকলে তা ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করতে পারে।

দুটি সংস্থার জারি করা আদেশে বলা হয়েছে যে রাস্তায় আমিষ খাবার হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে। পাশাপাশি এটি যোগ করা হয়েছে যে এই ধরনের খাবার থেকে ওটা ধোঁয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রাজকোট পৌরনিগমের কর্মীরা রাজকোটের ফুলছব চক, লিম্বদা চক এবং শাস্ত্রী ময়দানে আমিষ খাবারের স্টল এবং কিয়স্ক সরিয়ে দিয়েছে। এই বিষয়ে রাজকোটের মেয়র অবশ্য বলেন, 'আমরা শুধুমাত্র রাস্তা থেকে দখলদারি সরাচ্ছি। তারা বড্ড উপদ্রব সৃষ্টি করে, যানজট সৃষ্টি করে এবং হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়।'

রাজকোটের মেয়র প্রদীপ দাভ গত মঙ্গলবারই এই নির্দেশিতকা জারির উদ্দেশে একটি অভিযান শুরু করেছেন। এরপর বৃহস্পতিবার ভাদোদরা মিউনিসিপ্যাল​কর্পোরেশনের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিতেন্দ্র প্যাটেলও মৌখিক নির্দেশিকা জারি করে বলেন ১৫ দিনের মধ্যে রাস্তার পাশের সমস্ত আমিষভোজী খাবারের স্টলের খাবার ঢাকার বন্দোবস্ত করতে হবে। তাঁর কথায়, 'মাংস, মাছ, ডিম প্রকাশ্যে প্রদর্শন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে। এটি প্রকাশ্যে থাকা উচিত নয়।' এরপর প্যাটেল শুক্রবার বলেন, আমিষ খাবার প্রকাশ্যে রাখার এই বিষয়টি কয়েক দশক ধরে অব্যাহত থাকতে পারে তবে এখন এটি বন্ধ করার সময় এসেছে।

বন্ধ করুন