গুজরাটের কিন্নর সম্প্রদায়ের এক সদস্য বস্তিতে খাবার বিতরণ করছেন।  (ANI)
গুজরাটের কিন্নর সম্প্রদায়ের এক সদস্য বস্তিতে খাবার বিতরণ করছেন। (ANI)

শুধু বিজ্ঞাপনে নয়-বাস্তবেও ঘটে, করোনা যুদ্ধে অনন্য নজির গড়লেন কিন্নরেরা

নিরন্ন মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন গুজরাটের কিন্নর সম্প্রদায়ের মানুষেরা। প্রতিদিন প্রায় ১,৫০০ মানুষের মুখে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার।আমেদাবাদের গুরুদোয়ারা গবিন্দধামের তরফেও নেওয়া হয়েছে একই উদ্যোগ।

করোনা যুদ্ধে দেশজুড়ে চলা ২১ দিনের লকডাউনের একসপ্তাহ পূরণ হল মঙ্গলবার। এরই মধ্যে দেশে মারণ ভাইরাসে আক্রন্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। তারই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোকের মনে বেড়ছে ভয়, আতঙ্ক। গত সাত দিনে মানুষ ধীরে ধীরে ঘরে থাকায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যে দেশজুড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে অনাহারে থাকা মানুষের সংখ্যা। সেই কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে অনাহারে থাকা মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিতে স্বাচ্ছেয় এগিয়ে এসেছে বহু সংগঠন, সংস্থা এমন কি ব্যক্তি মানুষ। তারই মধ্যে গুজরাটে (Gujarat) অনন্য নজির গড়লেন ১৫০ জন কিন্নরের একটি সংগঠন (transgender community)। যারা নাগরিকত্বের লিঙ্গ তালিকায় অন্যান্য বলে পরিচিত।

https://twitter.com/ANI/status/1244817197517561856

গুজরাটের এই কিন্নর সম্প্রদায়ের মানুষেরা না খেতে পাওয়া বস্তিবাসীদের হাতে বিনামূল্যে তুলে দিচ্ছেন খাবার। সংগঠনের এক সদস্য জানিয়েছেন, তাঁরা শুরুতে ২০০ প্যাকেট খাবার বিলি করেন। কিন্তু দ্রুত তা এক সপ্তাহের মধ্যে ১ হাজার ৫০০ প্যাকেটে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয় প্রতিবছর এই কিন্নর সংগঠনের তরফে নবরাত্রি পালন করা হয়। কিন্তু এবার দেশজুড়ে এই মারণভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় তাঁরা তা বাতিল করেছেন। যদিও গুজরাটের এই কিন্নর সম্প্রদায় একটি উদাহরণ মাত্র।

https://twitter.com/ANI/status/1244816988880302085

কেরালার তিরুবনন্তপুরম সাধারণ ডাকঘরের কর্মীরা নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে এই সময়ে নিরন্ন মানুষের মুখে দুবেলা খাবার জোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। ডাককর্মী আবাসন উন্নয়ন সংগঠনের তরফে তাঁরা নিজেরাই খাবার রান্না করে বিলি করছেন। এই উদ্যোগে যোগ দিয়েছেন ৪০টি কর্মী আবাসনের আবাসিকেরা।

https://twitter.com/ANI/status/1244841936994762755

আমেদাবাদের গুরুদোয়ারা গবিন্দধামের তরফেও এই একই ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশে করোনা আক্রান্তের সংক্যা ১ হাজার ২০০ পেরিয়েছে। ৩০ জনের বেশি আক্রান্ত মানুষ প্রাণ হারিয়ছেন। যদিও তার মধ্যেই আশার আলোর ১০১ জন মানুষ সুস্থ হয়েছেন।

বন্ধ করুন