বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > CJI-যোগ নিয়ে বিতর্ক, করোনা মামলায় আইনি পরামর্শদাতার পদ থেকে অব্যাহতি নিলেন সালভে
ফাইল ছবি : টুইটার (Twitter)
ফাইল ছবি : টুইটার (Twitter)

CJI-যোগ নিয়ে বিতর্ক, করোনা মামলায় আইনি পরামর্শদাতার পদ থেকে অব্যাহতি নিলেন সালভে

'প্রধান বিচারপতিকে আমি স্কুল-কলেজ থেকে চিনি, এই পরিচিতির ছায়ার এমন একটা স্পর্শকাতর বিষয়ে আলোচনা হোর তা আমি চাই না,' জানালেন তিনি।

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় আইনি পরামর্শদাতার পদ থেকে অব্যাহতি চাইলেন আইনজীবী হরিশ সালভে। 'প্রধান বিচারপতিকে আমি স্কুল-কলেজ থেকে চিনি, এই পরিচিতির ছায়ার এমন একটা স্পর্শকাতর বিষয়ে আলোচনা হোক, তা আমি চাই না,' জানালেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় মুখ্য আইনি পরামর্শদাতা হিসাবে নিয়োগ করা হয় আইনজীবী হরিশ সালভেকে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে এবং অপর দুই বিচারপতি এল নাগেশ্বরা রাও ও রবীন্দ্র ভাট এ বিষয়ে গতকাল নিজেদের মত পেশ করেন। তাঁরা জানান, এ বিষয়ে শুধুমাত্র হরিশ সালভে ও সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার পরামর্শ নেওয়া হবে।

তবে শুক্রবার কোর্টের কাছ থেকে এই দায়িত্বে অব্যাহতি চান সালভে। তিনি বলেন, 'এটি আদালতের সবচেয়ে স্পর্শকাতর একটি মামলা। আমি চাই না যে এতে আমার সঙ্গে প্রধান বিচারপতির স্কুল-কলেজের সময় থেকে পরিচয়টা কোনও প্রভাব ফেলুক।'

এর প্রত্যুত্তরে প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে জানান যে তাঁকে নিয়োগ করার মধ্যে কোনও ভুল নেই। কিন্তু এরপরেও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন সালভে। তিনি বলেন, 'আমি জানতাম না যে কোনও আইনজীবী কোন ধরনের ইন্ডাস্ট্রির হয়ে মামলা লড়েন, সেই হিসেবে বার বিভক্ত। আমায় দয়া করে অব্যাহতি দেওয়া হোক। আমি বেদান্তের হয়ে মামলা লড়ছি। দশ মিনিট আগেই আমাকে জানানো হয়েছিল। আমি এর পাশাপাশি আবার কিছু করতে চাই না। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা।' এরপরেই তাঁর অব্যাহতির আর্জি মেনে নেন প্রধান বিচারপতি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার খনিজ দ্রব্য উত্তোলক ও উত্পাদক সংস্থা বেদান্ত-র পক্ষের আইনজীবী হিসেবে কোর্টে ছিলেন হরিশ সালভে। তিনি জানান, তামিলনাড়ুর ঠুথকুণ্ডির স্টারলাইট প্ল্যান্ট-এ অক্সিজেন তৈরি করতে রাজি বেদান্ত। এর মাধ্যমে দেশে অক্সিজেনের জোগানে সাহায্য করা যাবে।

বেদান্ত-র এই উত্পাদন কেন্দ্রটি ২০১৮ সালে বন্ধ করে দেয় তামিলনাড়ু স্টেট পলিউশান কন্ট্রোল বোর্ড। প্লান্টটির প্রসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সেই সময়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন স্থানীয়রা। এরপরেই পাশ হয়েছিল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত। গত বছর ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট বেদান্তর কারখানা পুনরায় খোলার আবেদন খারিজ করে দেয়।

বন্ধ করুন