দিল্লি থেকে পায়ে হেঁটে গাঁয়ের পথে প্রবাসী শ্রমিকরা (PTI)
দিল্লি থেকে পায়ে হেঁটে গাঁয়ের পথে প্রবাসী শ্রমিকরা (PTI)

লকডাউনে রাস্তায় দেখলেই আটকে রাখা হবে ইন্ডোর স্টেডিয়ামে

লকডাউনের মধ্যেই অকারণে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেউকেউ। তাদের জন্য মোক্ষম ওষুধ আবিষ্কার করল হরিয়ানা সরকার।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে লকডাউন চলছে দেশব্যাপী। ঘরের বাইরে এক পা-ও ফেলতে নিষেধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশাসনের তরফেও বারবার ঘরে থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। নিজের জন্য ও দেশের জন্য ঘরের ভিতরে থাকাটা কতটা দরকারি তা বোঝাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এত কিছুতেও কাজ হচ্ছে না কিছু ক্ষেত্রে। লকডাউনের মধ্যেই অকারণে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেউকেউ। তাদের জন্য মোক্ষম ওষুধ আবিষ্কার করল হরিয়ানা সরকার। লকডাউন ভাঙলেই ধরে নিয়ে গিয়ে রেখে দেওয়া হবে ইন্ডোর স্টেডিয়ামে।

হরিয়ানা সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, লকডাউন চলাকালীন বড় ইন্ডোর স্টেডিয়ামগুলিকে অস্থায়ী জেলে পরিণত করা হবে। লকডাউন ভেঙে কেউ রাস্তায় ঘুরে বেড়ালেই তাঁকে ভরা হবে সেই জেলে। লকডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে থাকতে হবে সেখানেই। মূলত প্রবাসী শ্রমিকদের জন্যই এই ব্যবস্থা বলে জানানো হয়েছে।

লকডাউন শুরু হতেই হরিয়ানার বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রবাসী শ্রমিকদের বাড়িতে ফেরা শুরু হয়েছে। রাস্তা দিয়ে মাইলের পর মাইল পথ হেঁটে চলেছেন তাঁরা। যা রুখতে মরিয়া কেন্দ্রীয় সরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষ লক্ষ প্রবাসী শ্রমিক বাড়ি ফিরে গেলে লকডাউনের উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। কারণ, শ্রমিকদের মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে যেতে পারে করোনাভাইরাস। যার ফল হতে পারে ভয়ানক।

তবে হরিয়ানা সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত শ্রমিকদের স্টেডিয়ামে রাখার কোনও পরিকল্পনা নেই। তারা যাতে বাড়িতে না ফেরেন তা বোঝানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি গুরুতর হলে তার ব্যবস্থাও করে রাখছে সরকার।

বন্ধ করুন