বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কাপড় সরিয়ে ছবি না পাঠালে ফেল করিয়ে দেবেন! ছাত্রীকে 'হুমকি' প্রধান শিক্ষকের
কাপড় সরিয়ে ছবি না পাঠালে ফেল করিয়ে দেবেন! ছাত্রীকে 'হুমকি' প্রধান শিক্ষকের। (ছবিটি প্রতীকী)

কাপড় সরিয়ে ছবি না পাঠালে ফেল করিয়ে দেবেন! ছাত্রীকে 'হুমকি' প্রধান শিক্ষকের

  • ছাত্রী দাবি করেছে, একা পেয়ে ওড়না ধরে টানাটানি করেছেন, গায়ে হাত দিয়েছেনও বলে অভিযোগ ছাত্রীর। সঙ্গে ওই ছাত্রী অভিযোগ করেছে, একদিন ফোন করে কাপড় সরিয়ে নগ্ন ছবি পাঠাতে বলেন প্রধান শিক্ষক। তাতে রাজি না হওয়ায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে দাবি করেছে ওই ছাত্রী।

কাপড় সরিয়ে ছাত্রীকে নগ্ন ছবি দিতে বলেছিলেন প্রধান শিক্ষক। সেই ছবি না দিলে ফেল করানোর হুমকি দিয়েছিলেন। এমনই অভিযোগ করলেন এক ছাত্রী। ঘটনাটি বাংলাদেশে সাতক্ষীরার। একাধিক সংবাদমাধ্যমে এমনই দাবি করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম একুশে২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাতক্ষীরার একটি স্কুলে পড়েন অভিযোগকারী ছাত্রী। সেই স্কুলে ভরতি হওয়ার পর প্রধান শিক্ষকের কাছে পড়তে যেত। ওই ছাত্রীর দাবি, বিভিন্ন সময় তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন প্রধান শিক্ষক। তবে চক্ষুলজ্জায় সে বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে পারেনি বলে দাবি করেছে ওই ছাত্রী।

আরও পড়ুন: পুলিশের সামনেই বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারের উপর হামলা, গ্রেফতার কাউন্সিলর আনোয়ার

ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাত্রী দাবি করেছে যে অনেক পড়ুয়ার সঙ্গেই তাকে পড়াতেন অভিযুক্ত শিক্ষক। তবে নির্দিষ্ট সময়ের আগে যেতে বলতেন। বাকিদের পড়ানো শেষ হলেও তাকে থেকে যেত বলত। একা পেয়ে ওড়না ধরে টানাটানি করেছেন, গায়ে হাত দিয়েছেনও বলে অভিযোগ ছাত্রীর। সঙ্গে ওই ছাত্রী অভিযোগ করেছে, একদিন ফোন করে কাপড় সরিয়ে নগ্ন ছবি পাঠাতে বলেন প্রধান শিক্ষক। তাতে রাজি না হওয়ায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে দাবি করেছে ওই ছাত্রী।

তারইমধ্যে ওই প্রধান শিক্ষকের পাঠানো একাধিক মেসেজ (সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা) ভাইরাল হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন ওই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক। আগে একাধিক স্কুলে চাকরি করেছেন।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই সিলিং ফ্যান খুলে কপাল ফাটল অভিনেত্রীকে ‘হুমকি’ দেওয়া প্রাক্তন মন্ত্রীর

বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরার শিক্ষা অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুনকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তাঁর কানে এসেছে। তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ জমা পড়লে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরার শিক্ষা অফিসার।

বন্ধ করুন