বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > লাগাতার গ্রেফতারির মুখে আত্মসমর্পণ,ভেঙে দেওয়া হল হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি
২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের হিংসা প্রতিরোধে বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনী। (AP)
২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের হিংসা প্রতিরোধে বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনী। (AP)

লাগাতার গ্রেফতারির মুখে আত্মসমর্পণ,ভেঙে দেওয়া হল হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি

  • রবিবার রাতে বাববুনরি জানান, ‘বাংলাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের পরামর্শে কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। ভবিষ্যতে নতুন কমিটি গঠন করা হবে।’

বাংলাদেশের চরমপন্থী ইসলামি সংগঠন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিলেন সংগঠনটির প্রধান জুনায়েদ বাবুনগরি। রবিবার রাতে এক ভিডিয়ো বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। এর ফলে আপাতত সেদেশে সংগঠনটির কোনও অস্তিত্ব রইল না। 

রবিবার রাতে বাববুনরি জানান, ‘বাংলাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের পরামর্শে কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। ভবিষ্যতে নতুন কমিটি গঠন করা হবে।’

গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবসে সেদেশে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার উপস্থিতিতেই দেশজুড়ে হিংসা ছড়ায় হেফাজতে ইসলাম। বাংলাদেশের একাধিক স্বাধীনতা সৌধ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি ভাঙচুর করে চরমপন্থী ধর্মোন্মাদরা। পালটা সেদেশের পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় ৮ জন তাণ্ডবকারীর। 

এর পরই হেফাজতে ইসলামের একের পর এক নেতাকে গ্রেফতার করতে শুরু করে বাংলাদেশ সরকার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সহ – সম্পাদক মামুনুল হক ও রফিকুল ইসলাম মাদানি। এর মধ্যে মামুনুলকে সেদেশের একটি হোটেলের ঘরে অন্যের স্ত্রীর সঙ্গে আটক করে সেদেশের জনতাই। পরে তাঁকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করে বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থাগুলি। 

লাগাতার গ্রেফতারির মুখে পদত্যাগ করতে শুরু করেন বাংলাদেশের সংগঠনটির বিভিন্ন আঞ্চলিক কমিটির সদস্যরা। ২৬ মার্চের হিংসার দায় অস্বীকার করে বিবৃতিও দেয় সংগঠনটি। কিন্তু কিছুতেই হাসিনা প্রশাসনের তৎপরতা থামেনি।

গ্রেফতার হওয়া হেফাজত নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর বাংলাদেশের তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে তালিবানি শাসন কায়েমের পরিকল্পনা ছিল হেফাজতে ইসলামের। 

 

বন্ধ করুন