বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চড়ছে পারদ, কর্ণাটকের কলেজে এবার গেরুয়া বনাম হিজাব ‘ফেসঅফ’ পড়ুয়াদের

চড়ছে পারদ, কর্ণাটকের কলেজে এবার গেরুয়া বনাম হিজাব ‘ফেসঅফ’ পড়ুয়াদের

গেরুয়া বনাম হিজাব ‘ফেসঅফ’ পড়ুয়াদের (প্রতীকী ছবি সৌজন্যে টুইটার)

হিজাবের বিরোধিতা করা ছাত্রদের দাবি, ‘কেন ক্লাসে হিজাব পরার অনুমতি দেওয়া হবে? নিয়ম সবার জন্য এক হওয়া উচিত।’

এবার মুখোমুখি ফেসঅফ করতে দেখা গেল হিজাব পরিহিত ছাত্রী ও গেরুয়া স্কার্ফ জড়ানো পড়ুযাদের। উদুপির মহাত্মা গান্ধী কলেজে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, হিজাব পরিহিত ছাত্রীরা ‘ন্যায় বিচার’-এর স্লোগান তোলেন। অপরদিকে গেরুয়া স্কার্ফ পরিহিত পড়ুয়ারা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান তোলেন।

এদিকে হিজাব সংক্রান্ত মামলার জল গড়িয়েছিল কর্ণাটকে হাই কোর্টে। কর্ণাটক হাই কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে মঙ্গলবার। এর আগেই এই ইস্যুতে পারদ চড়ছে বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে। হিজাবের বিরোধিতা করা ছাত্রদের দাবি, ‘কেন ক্লাসে হিজাব পরার অনুমতি দেওয়া হবে? নিয়ম সবার জন্য এক হওয়া উচিত।’ গেরুয়া স্কার্ফ পরিহিত ছাত্ররা জানিয়েছে যে বজরং দল, হিন্দু জাগরণ বেদিকে এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এই স্কার্ফ দিয়েছে তাদেরকে।

উল্লেখ্য, এর আগে শুক্রবার একযোগে তিন কলেজের অধ্যক্ষ হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তারপরেই শুক্রবার থেকেই মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে একটি অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন। উল্লেখ্য, হিজাব পরিহিত কিছু মুসলিম মেয়েকে উদুপির একটি সরকারি কলেজে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল গত ডিসেম্বরে। এরপর থেকে পরপর কলেজে নিষিদ্ধ হয়েছে হিজাব। এই আবহে বিতর্কে জল ঢালতে নির্দেশিকা জারি করে কর্ণাটক সরকার। সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, প্রি ইউনির্ভাসিটির আওতায় যে সরকারি কলেজগুলি রয়েছে সেখানে কলেজ ডেভেলপমেন্ট বোর্ড যে পোশাক নির্দিষ্ট করেছে সেটাই থাকবে। আর যেখানে এই পোশাক বিধি বলে কিছু নেই, সেখানে পড়ুয়ারা এমন পোশাক পরতে পারেন যাতে করে সম্প্রীতি, সমতা ও আইন শৃঙ্খলা বজায় থাকে। তবে এই নির্দেশের পরও বিতর্ক থামেনি।

বন্ধ করুন