বাড়ি > ঘরে বাইরে > গুপ্তধনের স্বপ্ন সত্যি, উন্নাওয়ে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার ঘড়াভরা প্রাচীন রুপোর মুদ্রা
খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছে কয়েকটি মুদ্রা উদ্ধার করতে সফল হয়েছে অসিভান থানার পুলিশ।
খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছে কয়েকটি মুদ্রা উদ্ধার করতে সফল হয়েছে অসিভান থানার পুলিশ।

গুপ্তধনের স্বপ্ন সত্যি, উন্নাওয়ে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার ঘড়াভরা প্রাচীন রুপোর মুদ্রা

  • মাটি খোঁড়ার কাজে নিয়োজিত মনরেগা শ্রমিকদের মধ্যে কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। মুদ্রা নিয়ে বাড়ি পালিয়ে যান কিছু শ্রমিক।

উন্নাওয়ের ডাওন্ডিয়াখেড়া গ্রামে ১,০০০ টন সোনার ভবিষ্যদ্বাণীর পরে এবার তার কাছেই এক গ্রামে মাটির নীচ থেকে উদ্ধার হল ঘড়াভরা প্রাচীন রুপো ও ব্রোঞ্জ মুদ্রা।

প্রাচীন মুদ্রার ঘড়া বেরোনোর পরে মাটি খোঁড়ার কাজে নিয়োজিত মনরেগা শ্রমিকদের মধ্যে তাই নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। তারই মধ্যে মুদ্রা নিয়ে নিজেদের বাড়ি পালিয়ে যান কিছু শ্রমিক। খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছে কয়েকটি মুদ্রা উদ্ধার করতে সফল হয়েছে অসিভান থানার পুলিশ। সেই সব মুদ্রা সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বুধবার দুপুরে উন্নাও জেলার কানহাউ গ্রামে নির্মীয়মান পঞ্চায়েত ভবনের ভিত খোঁড়ার সময় আচমকা মাচির গভীর থেকে ঘড়াভর্তি ১৯ শতকের রুপো ও তামার মুদ্রা উদ্ধার করেন মনরেগা কর্মীরা। 

উল্লেখ্য, সাত বছর আগে কানহাউয়ের কাছে উন্নাওয়ের ডাওন্ডিয়া খেড়া গ্রামে শোভন সরকার নামে এক সাধু ওই অঞ্চলে লুকিয়ে রাখা গুপ্তধনের স্বপ্ন দেখেছেন বলে দাবি করেন। তিনি জানান, ১৯ শতকের কোনও রাজার দুর্গের নীচে ১,০০০ টন সোনা রয়েছে বলে তিনি স্বপ্নে জানতে পেরেছেন। এর পরে ওই এলাকাজুড়ে ১৫ দিন ধরে সরকারি উদ্যোগে খনন চলে। শেষমেষ মাটির তলায় কোনও গুপ্তধনের হদিশ না পেয়ে অভিযান বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার উদ্ধার হওয়া মুদ্রাগুলির উপরে ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দ খোদাই করা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সফিপুরের মহকুমা শাসক রাজেন্দ্র প্রসাদ জানিয়েছেন, মোট ১৭টি রুপোর এবং ২৮৭টি ব্রোঞ্জের মুদ্রা পাওয়া গিয়েছে, যা সফিপুর কোষাগারে জমা পড়েছে। 

তাঁর দাবি, এখনও কিছু শ্রমিকের হেফাজতে প্রাচীন ওই মুদ্রার কিছু অংশ রয়ে গিয়েছে। সেগুলি উদ্ধারের জন্য তল্লাশিতে নেমেছে পুলিশ। 

বন্ধ করুন