বাড়ি > ঘরে বাইরে > পুলওয়ামায় ৪৫ কেজির গাড়ি বোমা উদ্ধার, একসঙ্গে নাশকতায় যুক্ত ছিল হিজবুল-জয়েশ
ডিফিউজ করা হল বোম। ড্রোন থেকে তোলা ছবি। 
ডিফিউজ করা হল বোম। ড্রোন থেকে তোলা ছবি। 

পুলওয়ামায় ৪৫ কেজির গাড়ি বোমা উদ্ধার, একসঙ্গে নাশকতায় যুক্ত ছিল হিজবুল-জয়েশ

জং-এ-বদরের দিন হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল সন্ত্রাসবাদীদের, জানিয়েছে পুলিশ। 

নিরাপত্তা বাহিনীকে নিশানা করে ৪০-৪৫ কেজির গাড়ি বোমা নিয়ে পুলওয়ামায় এসেছিল হিজবুল ও জয়েশের সন্ত্রাসবাদীরা, জানালেন জম্মু-কাশ্মীরের আইজি বিজয় কুমার। বুধবার রাতে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়িটিকে আটক করে পুলিশ ও আধা সেনার দল। 

বিজয় কুমার বলেন যে গাড়ির চালক দুটি চেক পয়েন্ট এড়াতে পারলেও তারপর গাড়ি রাস্তায় রেখে পালিয়ে যায়। তিনি বলেন যে তাদের কাছে আগাম খবর ছিল এরকম একটা গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ হতে পারে। তাই জায়গায় জায়গায় নাকাবন্দি ছিল। রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে আক্রমণকারী পালিয়ে যায়। সকালে বম্ব স্কোয়াড এসে দেখে পুরো গাড়িটা বিস্ফোরকে বোঝাই। ঘটনাস্থলে পুলিশ, সিআরপিএফ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে খুব যত্নের সঙ্গে বম্বটা ডিফিউজ করা হয় বলে জানান পুলিশ কর্তা। 

জং-এ-বদরের দিন হামলা চালাতে পারে সন্ত্রাসবাদীরা আগে থেকেই খবর ছিল পুলিশের কাছে। আগাম প্রস্তুতির ফলেই সেদিন কিছু হয়নি। পুরো আক্রমণের ছক করেছিল হিজবুলের আদিল। তার সঙ্গে ছিল জৈশ-এর দুই সন্ত্রাসবাদী। গাড়িটার ভগ্নস্তূপ প্রায় আকাশে ৫০ মিটার অবধি গিয়েছে। এতে মনে হচ্ছে ৪০-৪৫ কেজির গাড়ি বোমা ছিল। নাইট্রিক লবন, নাইট্রো গ্লিসারিন ও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট দিয়ে এই বোমা তৈরী হয়েছিল।

অন্যদিকে ডিজিপি দিলবাগ সিং জানিয়েছেন যে পাক জঙ্গি ওয়াহিদ এই বোমটি বানিয়ে গাড়িটিতে রেখেছিল। সে সম্ভবত এখন কুলগামে লুকিয়ে আছে। সাদা স্যান্ট্রোর পিছনের সিটে একটা নীল ড্রামে পোরা ছিল বোমটি। গাড়িটির নম্বর প্লেটটি কাঠুয়ার নিবাসীর স্কুটার। 

অন্যদিকে ডিজিপি দিলবাগ সিং জানিয়েছেন যে পাক জঙ্গি ওয়াহিদ এই বোমটি বানিয়ে গাড়িটিতে রেখেছিল। সে সম্ভবত এখন কুলগামে লুকিয়ে আছে। সাদা স্যান্ট্রোর পিছনের সিটে একটা নীল ড্রামে পোরা ছিল বোমটি। গাড়িটির নম্বর প্লেটটি কাঠুয়ার নিবাসীর স্কুটার। 

 

 

বন্ধ করুন