বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > পাহাড়ের উপর থেকে গুলি, কীভাবে ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে জওয়ানদের এনকাউন্টার?
ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল একাধিক জওয়ানের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল একাধিক জওয়ানের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

পাহাড়ের উপর থেকে গুলি, কীভাবে ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে জওয়ানদের এনকাউন্টার?

  • ছত্তিশগড়ে মৃত্যু একাধিক জওয়ানের।

একেবারে নিখুঁত গেরিলা ছক। প্রথমে ফাঁদে ফেলা। এরপর পাহাড়ের উপর থেকে নির্বিচারে গুলি। ছত্তিশগড়ের মাও হানা কপালে ভাঁজ ফেলেছে অনেকেরই। দক্ষিণ সুকমার বাসিন্দা তথা ফিলিপাইন্সে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ৩৮ বছর বয়সী মাও নেতা হিদমা রয়েছে এর নেপথ্যে। এমনটাই মত নিরাপত্তারক্ষীদের একাংশের। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত ১১টা। মাওবাদী দমনে ছত্তিশগড়ের বীজাপুরে তল্লাশি শুরু করেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। প্রায় ১৭০০ নিরাপত্তারক্ষীকে এই চিরুনি তল্লাশিতে মোতায়েন করা হয়।

এরপর শনিবার বিকাল। ৪৫০জনের একটি টিম ফিরে আসছিলেন ক্যাম্পের দিকে। সেই সময় পাহাড়ে উপর থেকে শুরু হয় নির্বিচারে গুলি বর্ষণ। একেবারে 'ইউ' আকৃতির ফাঁদে ফেলে নিরাপত্তারক্ষীদের উপর হামলা চালায় মাওবাদীরা। নিরাপত্তা এজেন্সি সূত্রে খবর ,মাওবাদী নেতা হিদমার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছিলেন জওয়ানরা। গোপন সূত্রে খবর ছিল প্রায় ১৭দিন ধরে এই এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে গেরিলা যুদ্ধে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ওই মাওবাদী নেতা। সেই মতই চলে অপারেশন। কিন্ত আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল মাওবাদীরা। দুটি গ্রামকেও তারা কার্যত আগে থেকেই খালি করে দেয়। এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই চলে নির্বিচারে ফায়ারিং। তবে পালটা আক্রমণ প্রতিহত করার চেষ্টা করেন জওয়ানরাও। প্রায় ঘণ্টা তিনেক চলে এই গুলির লড়াই। এরমধ্যেই শহিদ হন একের পর এক জওয়ান। তবে তাতেও পিছু হটেননি জওয়ানরা। স্থানীয় এলাকায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। নিরাপত্তা এজেন্সির দাবি, স্থানীয় এলাকাটি মূলত করিডর হিসাবে ব্যবহার করে মাওবাদীরা। সেকারনেই এলাকায় ক্যাম্প করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছিল। সম্ভবত তার জেরেই দিশেহারা হয়ে এই হামলা চালিয়েছে মাওবাদীরা।

বন্ধ করুন