বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কোভিড রুখতে প্রতি জেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু করতে ICMR-এর নির্দেশ
র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট-এর জন্য সোয়্যাব সংগ্রহ চলছে আমদাবাদের স্বাস্থ্য শিবিরে। ছবি: পিটিআই। (PTI)

কোভিড রুখতে প্রতি জেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট চালু করতে ICMR-এর নির্দেশ

  • অতিমারী রোধ করার সবচেয়ে উপযোগী পদ্ধতি হল রোগ নির্ণয়ের জন্য যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া।

জেলায় করোনা পরীক্ষার হার বাড়াতে রাজ্য সরকারগুলিকে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করার পরামর্শ দিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)।

এই প্রক্রিয়া পরীক্ষা করার জন্য নির্দিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র চিহ্নিত করার কথাও বলেছে ICMR। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কোভিড পরীক্ষার হার বাড়াতে ইতিমধ্যে সরকার অধিগৃহীত সংস্থা, সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা কেন্দ্র, মন্দির ও অন্যান্য জায়গা থেকে অনুরোধ পাওয়া গিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার ICMR-এর ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গব জানিয়েছেন, ‘অ্যান্টিজেন টেস্ট পদ্ধতি ব্যবহার করলে অনেক বেশি পরীক্ষা করা সম্ভব। এই সমস্ত পরীক্ষার তথ্য আপলোড করা জরুরি। সমস্ত সরকারি পরীক্ষাকেন্দ্র ও হাসপাতাল এবং সমস্ত বেসরকারি কোভিড হাসপাতাল ও পরীক্ষাকেন্দ্রে অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে করোনা পরীক্ষা চালু করা দরকার। বিভিন্ন সরকারি বিভাগ, ছোট বেসরকারি ও সরকারি পরিষেবা কেন্দ্র, মন্দির ইত্যাদি থেকে ICMR-এর কাছে এই পরীক্ষা চালু করার জন্য অনুরোধ এসেছে।’

প্রত্যেক জেলার জন্য এক সেট সাধারণ লগ-ইন ক্রেডেনশিয়াল সৃষ্টি করেছে ICMR, যাতে ব্যক্তিগত সংস্থা, পরীক্ষাগার ও হাসপাতাল সংস্থার পোর্টালে পৃথক তথ্য পাঠিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করতে না পারে। সরকারি ও বেসরকারি সমস্ত স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্রে এই ক্রেডেনশিয়াল পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।  

সেই সঙ্গে রাজ্যগুলিতে প্রতিটি অ্যান্টিজেন পরীক্ষাকেন্দ্রকে লিঙ্ক করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে, কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে একজন আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারগুলিকে।

তবে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে কেউ নেগেটিভ দেখা গেলেও তাঁর শরীরে করোনা সংক্রমণ ঘটেছে কি না তা জানতে RT-PCR পরীক্ষা করা দরকার বলে ICMR জানিয়েছে। 

সংক্রমণ বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিমারী রোধ করার সবচেয়ে উপযোগী পদ্ধতি হল রোগ নির্ণয়ের জন্য যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া। সংক্রমণ ধরা পড়লে আক্রান্তদের বিচ্ছিন্ন রেখে চিকিৎসা করা জরুরি বলেও তাঁরা জানিয়েছেন। 

বন্ধ করুন