বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মরে যেতে হলে মরে যাব, তবুও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই: বিএনপি কর্মী
মরে যেতে হলে মরে যাব, তবুও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই: বিএনপি কর্মী। প্রতীকী ছবি (AFP)

মরে যেতে হলে মরে যাব, তবুও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই: বিএনপি কর্মী

  • জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘বিএনপি রাজপথে আন্দোলন করছে বলেই বিদেশিরা বাংলাদেশে এতটা তৎপর হতে পারছে৷' তবে দু'জনেই বলেন, জনগণের মুখাপেক্ষী না থেকে বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে থাকলে তা কখনওই দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে না৷

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, বিএনপির এই মুহূর্তের লক্ষ্য হল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ৷ তিনি বলেন, ‘এর জন্য মরে যেতে হলে মরে যাব৷ তা না হলে গণতন্ত্র আসবে না৷'

ডয়চে ভেলের ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' টকশোতে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন ইশরাক হোসেন৷ বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া এবং বিএনপির এখনকার আন্দোলনের লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিএনপির মূল লক্ষ্য গণতন্ত্র ফেরত আনা৷ সেজন্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা দরকার এবং বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়৷ তাই বিএনপির এমন সিদ্ধান্ত৷

ইশরাক বলেন, ‘এই সরকার আমাদের কোন ‘স্পেস' দিচ্ছে না৷ আমরা সকল কিছু সহ্য করে লড়াই করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এখন একটা শক্তি তৈরি করে কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছি৷' তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের যদি আরো এক লাখ কর্মীও মেরে ফেলে আমরা এই সরকারের অধীনে নির্বাচন করব না৷' আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে আলোচনায় আসতে চায়, তাহলে তা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি৷ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী৷ তিনি বলেন, ‘নির্বাচন বাদ দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুত্থান সম্ভব নয়৷ সেজন্য আলোচনার বিকল্প নেই৷'

শামীম হায়দার বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলকে ভোট করতে হবে৷ ভোট বর্জন করা মানেই পাঁচ বছরের জন্য অনিশ্চিত হয়ে যাওয়া৷ অথবা ওয়ান ইলেভেনের মত অবস্থা তৈরি হতে পারে৷ একটি রাজনৈতিক দলের কাছে নিশ্চয়ই ওয়ান ইলেভেনের পরিস্থিতি কাম্য নয়?' তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারলেও ক্ষমতা ছাড়া বাঁচতে পারবে না৷ তাই বিএনপি যা চাইছে, তেমন পরিস্থিতি তৈরি হোক তা তারা হতে দেবে না৷ সুতরাং সবাইকেই ছাড় দিতে হবে৷' এবারের পরিস্থিতিও ২০১৪ বা ২০১৮-র মতো নয় বলে মনে করেন তিনি৷

‘আওয়ামী লীগ দরজা খুলে দেয়নি, অথচ রাষ্ট্রদূতরা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশে চষে বেড়াচ্ছে, কথা বলে বেড়াচ্ছে, সরকারের সঙ্গে দেখা করে বেড়াচ্ছে... নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন সব জায়গায় যাচ্ছে৷ এর অর্থ তারা নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি, নির্বাচনের দিনের পরিস্থিতি ও পরের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে৷ এটা ২০১৮ বা ২০১৪ সালে ছিল না,' বলেন গাইবান্ধা-১ আসনের এই সংসদ সদস্য৷

জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘বিএনপি রাজপথে আন্দোলন করছে বলেই বিদেশিরা বাংলাদেশে এতটা তৎপর হতে পারছে৷' তবে দু'জনেই বলেন, জনগণের মুখাপেক্ষী না থেকে বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে থাকলে তা কখনওই দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে না৷

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনটি ডয়চে ভেলে থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবেদনই তুলে ধরা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কোনও প্রতিনিধি এই প্রতিবেদন লেখেননি।)

বন্ধ করুন