বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দিল্লি সীমান্তের কাছে রোহিঙ্গাদের 'অবৈধ' শিবির ভেঙে দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার
দিল্লি সীমান্তে কাছে রোহিঙ্গাদের 'অবৈধ' ভেঙে দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য অমরজিৎ কুমার সিং/এসওপিএ ইমেজেস ভায়া জুমা ওয়্যার/পিকচার অ্যালায়েন্স)
দিল্লি সীমান্তে কাছে রোহিঙ্গাদের 'অবৈধ' ভেঙে দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য অমরজিৎ কুমার সিং/এসওপিএ ইমেজেস ভায়া জুমা ওয়্যার/পিকচার অ্যালায়েন্স)

দিল্লি সীমান্তের কাছে রোহিঙ্গাদের 'অবৈধ' শিবির ভেঙে দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার

  • দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তের কাছে রোহিঙ্গাদের একটি অস্থায়ী ও 'অবৈধ' ক্যাম্প ভেঙে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন।

দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তের কাছে রোহিঙ্গাদের একটি অস্থায়ী ও 'অবৈধ' ক্যাম্প ভেঙে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। তার জেরে গৃহহীন অসংখ্য পরিবার।

মদনপুর খাদারের রোহিঙ্গা শিবিরে কিছুদিন আগেই আগুন লেগেছিল। দমকল গিয়ে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্যাম্পের অধিবাসীদের বক্তব্য ছিল, বারবার তাদের ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রশাসন তখন সে কথা মানতে চায়নি। সম্প্রতি সেই ক্যাম্পের লাগোয়া উত্তরপ্রদেশের সেচ দফতরের জমিতে তৈরি হওয়া শিবির বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

জেলা শাসকের দাবি, উত্তরপ্রদেশের সেচ দফতরের জমির উপর কোনও অনুমতি না নিয়েই ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছিল। তাদেরকে সেখান থেকে তুলে নতুন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়াই ছিল উদ্দেশ্য। বস্তুত, উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই ওই রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে নানা আলোচনা করছিল। অভিযোগ, দিল্লি সরকারকে বার বার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হলেও কোনো লাভ হয়নি। শেষপর্যন্ত দিল্লির লেফটন্যান্ট গভর্নরের হস্তক্ষেপে গত মঙ্গলবার দিল্লি প্রশাসন এবং উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের মধ্যে একটি বৈঠক হয়। সেখানেই ক্যাম্প ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সমাজকর্মীদের বক্তব্য, ক্যাম্প ভেঙে দেওয়ার পরে অন্তত ১৬টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তারা রাস্তার ধারে বসবাস করতে শুরু করেছে। যার ফলে ট্র্যাফিকের সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয় মানুষও সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। তাঁদের যাতায়াত করতে অসুবিধা হচ্ছে। দ্রুত এর সমাধান না হলে সমস্যা আরো বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ওই ক্যাম্পে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের বক্তব্য, তাদের আর যাওয়ার জায়গা নেই। বাধ্য হয়েই তাঁরা অস্থায়ী টেন্ট তৈরি করে থাকছিলেন। কোনওরকম আগাম বার্তা না দিয়ে টেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

বন্ধ করুন