বাড়ি > ঘরে বাইরে > কেরলে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে, দাবি Skymet-এর, মানতে নারাজ মৌসম ভবন
প্রতীকি ছবি (AP)
প্রতীকি ছবি (AP)

কেরলে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে, দাবি Skymet-এর, মানতে নারাজ মৌসম ভবন

  • সাধারণত কেরলে ১ জুন বর্ষা ঢোকে। কিন্তু স্কাইমেটের দাবি ছিল এবার ২৬ – ৩০ মে-র মধ্যে কেরলে ঢুকবে বর্ষা। অর্থাৎ সময়ের অন্তত ২ দিন আগে বর্ষা ঢুকবে বলে জানিয়েছিল স্কাইমেট।

বর্ষা কেরলে ঢুকেছে কি না তা নিয়ে বিবাদ শুরু হয়েছে ২ আবহাওয়া সংস্থা ভারতীয় আবহাওয়া দফতর ও বেসরকারি সংস্থা স্কাইমেট-এর মধ্যে। স্কাইমেটের দাবি, তাদের পূর্বাভাস মিলিয়ে ৩০ মে সময়ের আগেই কেরলে ঢুকেছে বর্ষা। স্কাইমেটের দাবি খারিজ করে আবহাওয়া দফতরের নির্দেশক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেনি। তা ঢুকতে পারে আগামী ১ বা ২ জুন। ঠিক যেমনটা জানিয়েছিল তারা। 

সাধারণত কেরলে ১ জুন বর্ষা ঢোকে। কিন্তু স্কাইমেটের দাবি ছিল এবার ২৬ – ৩০ মে-র মধ্যে কেরলে ঢুকবে বর্ষা। অর্থাৎ সময়ের অন্তত ২ দিন আগে বর্ষা ঢুকবে বলে জানিয়েছিল স্কাইমেট। উলটো পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। তাদের পূর্বাভাস অনুসারে কেরলে বর্ষা ঢোকার কথা ৫ জুন। 

বায়ুমণ্ডলের নানা শর্ত তুলে ধরে স্কাইমেটের তরফে দাবি করা হয়েছে কেরলে শনিবার বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। তাদের দাবি, তাদের পূর্বাভাস মিলেছে। ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে কেরলে বর্ষা ঢুকতে দেরি হওয়ার আশঙ্কা থাকা সত্বেও শেষ পর্যন্ত তাদের পূর্বাভাস মিলিয়েই ঢুকেছে বর্ষা। স্কাইমেটের দাবি খারিজ করে দিয়েছেন আবহাওয়া দফতরের নির্দেশক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। তিনি জানিয়েছেন,’ভারতে বর্ষা ঢোকার বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখি। ১ – ২ জুন কেরলে বর্ষা ঢুকবে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণও কেরলে বর্ষা ঢোকার দাবিকে সমর্থন করছে না।’

স্কাইমেটের আবহাওয়া বিভাগের কর্তা মহেশ পালাওয়ত বলেন, ‘কেরলে আমাদের একশোর বেশি স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। মৌসুমি বায়ু প্রবেশের বৃষ্টিপাতের শর্ত পূরণ হয়েছে। বায়ুপ্রবাহ-সহ অন্যান্য শর্তও পূরণ হয়েছে। আবহাওয়া দফতর ঘোষণা না করলেও আমরা জানাচ্ছি, শনিবারই কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে গিয়েছে।’

জাতীয় পূর্বাভাস কেন্দ্রের প্রধান কে সাথী দেবী বলেন, ‘শুধু বৃষ্টিপাত দিয়েই মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ মাপা যায় না। আরও শর্ত রয়েছে। আরব সাগরে একটি লঘুচাপ ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। তার পর সম্ভবত সব শর্ত পূরণ হবে। এখন কেরলে প্রাকবর্ষার বৃষ্টি হচ্ছে।’

বলে রাখি, ভারতে মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি। বর্ষাকালে ভারতের মোট বার্ষিক বৃষ্টির ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে। যার ওপর নির্ভর করেন দেশের ৭০ কোটি কৃষক। কৃষির ফলনের ওপরেই নির্ভর করে দেশের মুদ্রাস্ফীতি সহ অর্থনীতির একাধিক শর্ত। 

 

বন্ধ করুন