বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > আদানি গোষ্ঠীর বন্দরে ২১ হাজার কোটির মাদক উদ্ধারের তদন্তভার গ্রহণ করল NIA
মুন্দ্রা বন্দর (ফাইল ছবি রয়টার্স) (HT_PRINT)
মুন্দ্রা বন্দর (ফাইল ছবি রয়টার্স) (HT_PRINT)

আদানি গোষ্ঠীর বন্দরে ২১ হাজার কোটির মাদক উদ্ধারের তদন্তভার গ্রহণ করল NIA

  • গত ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দর থেকে ৩ হাজার কেজি মাদক উদ্ধার করেছিল ডিরেক্টোরেট অফ রেভিনিউ অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর আদানি পরিচালিত মুন্দ্রা বন্দরে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল ৩০০০ কিলোগ্রাম আফগান হেরোইন। এই বিশাল পরিমাণ মাদকের বাজার মূল্য প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। এই ঘটনায় জঙ্গি যোগ থাকতে পারে। আর তাই এই ঘটার তদন্তভার গ্রহণ করল এনআইএ।

গত ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দর থেকে ৩ হাজার কেজি মাদক উদ্ধার করেছিল ডিরেক্টোরেট অফ রেভিনিউ অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ইরানের বন্দর আব্বাস পোর্ট থেকে এই কনসাইনমেন্টটি এসেছিল গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দরে।

দেশে এর আগে এক অভিযানে এত বিপুল পরিমাণে মাদক কখনও উদ্ধার হয়নি। মোট দুটি কন্টেনারে এই মাদক ছিল। একটি কন্টেনারে ১,৯৯৯.৫৮ কেজি হেরোইন ছিল। অপর কন্টেনারে ৯৮৮.৬৪ কেজি হেরোইন ছিল। তালিবান-পাকিস্তান যোগ থাকায় এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-কে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

চেন্নাইয়ের এক দম্পতি সহ কমপক্ষে আটজন ব্যক্তিকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে এখনও পর্যন্ত। ঘটনায় প্রথমেই গ্রেফতার করা হয় গোবিন্দরাজু দুর্গা পূর্ণ বৈশালী এবং তার স্বামী মাচাভরম সুধাকরকে। তারা বিজয়ওয়াড়ায় রেজিস্টার্ড তাদের 'আশি ট্রেডিং কোম্পানি' নামক ফার্মের মাধ্যমে সেমি প্রোসেসড পাথরে লুকিয়ে এই হেরোইন আমদানি করেছিল। একটি কান্দাহার ভিত্তিক কোম্পানি থেকে এই মাল তারা আমদানি করে। এই পর্যন্ত চারজন আফগান নাগরিক, একজন উজবেক মহিলাকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করেছে ডিআরআই।

বন্ধ করুন