বেজিংয়ে ফরবিডেন সিটির প্রবেশদ্বারে কুুচকাওয়াজ চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সদস্যদের। সোমবার এএফপি-র ছবি। (AFP)
বেজিংয়ে ফরবিডেন সিটির প্রবেশদ্বারে কুুচকাওয়াজ চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সদস্যদের। সোমবার এএফপি-র ছবি। (AFP)

করোনার শিকড় খুঁজতে চিনের বিরুদ্ধে WHO-এর তদন্ত চাইল ভারত-সহ ১০০ দেশ

  • করোনা সংক্রমণের জন্য চিনকে অভিযুক্ত করার দাবি প্রথম জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের উৎস খুঁজতে চিনের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য WHO-এর কাছে দাবি জানাল ভারত-সহ বিশ্বের একশোটির বেশি দেশ। সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৃহত্তম বার্ষিক বৈঠকে এই দাবি জানানো হয়েছে।

দাবি করা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শিকড় ও তার যাত্রাপথ সম্পর্কে সবিস্তারে অনুসন্ধান করা হোক। এই প্রসঙ্গে করোনার আতুরঘর হিসেবে পরিচিত চিনের উহান শহরে তদন্তের গুরুত্ব অ। যদিও বেজিংয়ের তরফে একাধিক বার ভাইরাসের সূত্র অন্য কোনও দেশে বলে দাবি করা হয়েছে। 

করোনা সংক্রমণের জন্য চিনকে অভিযুক্ত করার দাবি প্রথম জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। স্বাভাবিক ভাবেই WHO-এর কাছে তদন্তের দাবিকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। দেশের বিদেশমন্ত্রী মারিস পেইনের মতে, ‘সাম্প্রতিক পদক্ষেপ আমাদের শুরু করা আলোচনার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।’

স্বভাবতই এই কারণে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছে চিন। শাস্তি হিসেবে অস্ট্রেলিয়া থেকে বার্লি আমদানির উপরে ভারি শুল্ক চাপিয়েছে বেজিং। বন্ধ করা হয়েছে সে দেশে থেকে বিফ আমদানিও।

তাতে অবশ্য দাবি থেকে কোনও মতেই পিছু হঠেনি অস্ট্রেলিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকার সমর্থন পেয়ে বরং আরও তীব্র হয়েছে চিনের বিরুদ্ধে তার লড়াই। 

WHO-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চিনের বিরুদ্ধে করোনার উৎস সন্ধানে তদন্তের দাবিতে সমর্থনের পাল্লা ভারি হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই দাবিকে সমর্থন জানিয়েছে ভারপত, সৌদি আরব, কাতার এবং আফ্রিকার ৫৪টি দেশ। শুধু চিনের বিরুদ্ধেই নয়, এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছেন WHO-এর ডিরেক্টর জেনারেল তেদ্রোস আধানোম ঘেব্রেইয়েসাস। আন্তর্জাতিক দাবি সনদে ঘেব্রেইয়েসাসকে নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও গঠনমূলক তদন্ত চালাতে আবেদন জানানো হয়েছে।  

বন্ধ করুন