বাড়ি > ঘরে বাইরে > Covid-19: করোনার বিরুদ্ধে লড়তে CSR তহবিল ব্যবহারের অনুমতি কেন্দ্রের
সংক্রমণের জেরে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে কর্মীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ। কমছে অফিসে হাজিরার হার। পিটিআই-এর ছবি। (PTI)
সংক্রমণের জেরে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে কর্মীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ। কমছে অফিসে হাজিরার হার। পিটিআই-এর ছবি। (PTI)

Covid-19: করোনার বিরুদ্ধে লড়তে CSR তহবিল ব্যবহারের অনুমতি কেন্দ্রের

যে সমস্ত সংস্থা এতদিন তাদের CSR তহবিলের সব অর্থ ব্যয় করতে পারছিল না, সরকারি ঘোষণার ফলে এবার তা স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্যানিটেশন ও বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য খরচ করার তারা সুযোগ পাবে।

Covid-19 সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে বেসরকারি সংস্থাগুলিকে কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (CSR) ফান্ড খরচ করার অনুমতি দিল কেন্দ্র। এই তহবিলে মোট ৩০,০০০ কোটি টাকার বেশি জমা রয়েছে।

সোমবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন টুইট করে জানান, ‘ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এই রোগকে মহামারী পরিচিতি দেওয়ায় এবং ঘোষিত বিপদ হিসেবে ভারত সরকার এই সংক্রমণ রুখতে সক্রিয় হওয়ার জেরে এতদ্বারা জানানো হচ্ছে যে Covid-19 খাতে CSR তহবিল ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হল।’

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ সরকারি আমলা জানিয়েছেন, যে সমস্ত সংস্থা এতদিন তাদের CSR তহবিলের সব অর্থ ব্যয় করতে পারছিল না, সরকারি ঘোষণার ফলে এবার তা স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্যানিটেশন ও বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য খরচ করার তারা সুযোগ পাবে।

হিসেব অনুযায়ী, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছর থেকে CSR তহবিলের প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত খরচ করা যায়নি প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকা। বছরে এই তহবিলে প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা জমা পড়ে। এর আগে বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থা সরকারকে জানিয়েছিল, কোন প্রকল্পে খরচ করা হবে তা অজানা থাকায় তহবিলের টাকা জমে থেকেছে।

নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত সংস্থার মোট মূল্য অন্তত ৫০০ কোটি টাকা, বা যাদের বার্ষিক লেনদেন ন্যূনতম ১,০০০ কোটি টাকা, অথবা, বার্ষিক লাভের পরিমাণ ন্যূনতম ৫ কোটি টাকা, সেই সমস্ত সংস্থা তাদের গড় লাভের পরিমাণের ২% বিগত তিন বছরের জন্য CSR তহবিলে জমা দিতে হয়।

বন্ধ করুন